কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনের আগে ইস্ত্রি করা পাঞ্জাবি, লম্বা টুপি পরে ইরি ক্ষেতে নেমে যাওয়ার ‘হিপোক্রেসি’ মানুষ এখন বুঝে।
গতকাল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব অভিযোগ করেন। নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি চলাকালে বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর অশোভন আচরণ এবং কমিশন কর্তৃক বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার তীব্র সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, একাডেমিক পরিবেশে যখন আইনজীবীরা দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে যুক্তিতর্ক করছিলেন, তখন আব্দুল আউয়াল মিন্টু হঠাৎ মুসার দিকে তেড়ে যান এবং ‘ব্লাডি সিভিলিয়ান’, ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বলে গালিগালাজ করেন। এমনকি পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে তার ছেলে তাবিথ আউয়াল তাকে কমিশন কক্ষ থেকে বাইরে নিয়ে যেতে বাধ্য হন।
হাসনাত বলেন, যারা এলিটিসিজম দেখাতে আসে, তারা যেন রাজনৈতিক এলিটিসিজম ঘরেই রেখে আসে। আপনি কাউকে ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বলবেন, আবার তাদের কাছেই ভোট চাইবেন-সেটা হবে না। হাসনাতের অভিযোগ, আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মতো বিদেশে অর্থ পাচারকারী এলিট শ্রেণির একটি অংশ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করে। ‘রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যারা ব্যবসা করেন এবং সেফ এক্সিট নেন, তাদের আমরা ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে দেখতে চাই না।
এনএইচ/