ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে। সংসদের শুরুতেই জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও বিগত সময়ে ইন্তেকাল করা বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। সে সময় বাদ যাওয়া বিভিন্ন নেতার নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান দলীয় ও বিরোধীদলীয় নেতারা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়।
শোক প্রস্তাবের ওপর সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আলোচনা করছেন।
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের দুইবারের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে এ সংসদে শোক প্রস্তাব আনা হয়।
শোক প্রস্তাব উপস্থাপনকালে সরকারি দলের চিপ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির ও সাবেক কৃষি ও শিল্প মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব জানান।
তাৎক্ষণিক বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের পতিত হাসিনা সরকারের আমলে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সাবেক জামায়াত নেতাদের নাম প্রস্তাব করেন। তিনি জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির মরহুম দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলীসহ বেশ কয়েকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেন, যা স্পিকার তাৎক্ষণিক শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেন।
এছাড়াও বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ নাহিদ ইসলাম শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি, আবরার ফাহাদসহ আরও বেশ কয়েকজনের নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব জানান। পরবর্তীতে স্পিকার সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।
আইএইচ/