শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মুকাররমাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অপচেষ্টা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে আঘাতের শামিল সৌদিতে ড্রোন ভূপাতিত, নিহত বিদেশি নাগরিক মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় তথ্য গোপন নয়, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল’ ১২০টি প্রতীক নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন, স্থগিত ‘নৌকা’  আকর্ষণীয় পুরস্কারে সীরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে ‘ভোলা জেলা উলামা তলাবা’  ‘উর্দুভাষী বাংলাদেশি’ হিসেবে স্বীকৃতি চায় আটকে পড়া পাকিস্তানিরা  জুনের আগেই স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন হবে : ইসি  দাখিল পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলায় শাস্তি পাচ্ছেন ১১ শিক্ষক মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অপচেষ্টায় হেফাজতের নিন্দা ডা. জাকির নায়েকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বই উপহার দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

ফলাফলের ৩০ দিনের মধ্যে ভোটে ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে প্রার্থীদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দিতে হবে। হিসাব দাখিলে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে হতে পারে ৭ বছরের জেল।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।

এতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ-এর দফা (১) অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার পর হতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে (যিনি নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তিনি নিজেই তার নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন) ফরম-২২-এ এফিডেভিটসহ সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল করতে হবে।

রিটার্নের সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর ৩১ বিধি অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ফরম-২২ক (যে ক্ষেত্রে প্রার্থী স্বয়ং তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট, সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর হলফনামা), ফরম-২২খ (নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করা হলে প্রার্থীর হলফনামা) এবং ফরম-২২গ (নির্বাচনী এজেন্টের হলফনামা)-এর নমুনায় হলফনামা দাখিল করতে হবে। প্রার্থী বা নির্বাচনী এজেন্টকে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিলকৃত রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অর্থাৎ নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৯(১) অনুসারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন অবশ্যই দাখিল করতে হবে।

এমনকি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনে কোনো ব্যয় না হলেও তা নির্ধারিত ফরমে উল্লেখপূর্বক রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ অনুযায়ী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন (ফরম-২২) যথাযথভাবে দাখিল না করলে অথবা এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধে অপরাধী হবেন। অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুসারে উক্ত অপরাধের জন্য অনধিক ৭ (সাত) বছর এবং অন্যূন ২ (দুই) বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।

যদি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উক্ত বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

যে ক্ষেত্রে নির্বাচনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী মামলা দায়ের করা হয়নি, সে ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার দিন হতে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে। আর যে ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা বিচারাধীন থাকে এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে কোনো আদেশ প্রদান করেন, সে ক্ষেত্রে আদেশ দানের তিন মাসের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারকে উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। মামলা দায়েরের জন্য নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন নেই।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৪৪ঘ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্ভাব্য তহবিলের উৎসের বিবরণী, নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিবরণী ও দলিল-দস্তাবেজ রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক তার অফিসে বা সুবিধাজনক অন্য কোনো স্থানে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ