ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি পরিবেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তাগিদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগের আইনশৃঙ্খলা সভায় দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে কমিশন দ্রুত ও কার্যকর সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা।
আজ রোববার [১১ জানুয়ারি] সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬ বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে এমন নির্দেশনা দেয় ইসি। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৈঠক সূত্র জানায়, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, আপিল শুনানি থাকায় বৈঠকের সময় খুবই কম ছিল। এরপরও ভোটকে সামনে রেখে বিভিন্ন জায়গায় যেসব সেল অর্থাৎ নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন কমিটি যাতে ঠিকমতো কাজ করে সে কথা বলা হয়েছে এ বৈঠক।
বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের প্রতিনিধি, বর্ডার গার্ডের মহাপরিচালক, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক, মহাপুলিশ পরিদর্শক, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক, জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) মহাপরিচালক, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতিনিধি বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
আরএইচ/