মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’ 

‘হাদিসের মজলিস পুনরুজ্জীবন উম্মাহকে নবীজির সঙ্গে যুক্ত করে’


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মিসরের ঐতিহ্যবাহী আল-আজহার মসজিদে ইমাম তিরমিজি রহ.-এর আল-জামিউল কাবির ও আশ-শামায়িলুল মুহাম্মাদিয়্যাহ গ্রন্থের খতম উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালামা দাউদ বলেছেন, আল-আজহারে হাদিসের ইলমি মজলিস পুনরুজ্জীবিত হওয়া আল্লাহর এক বিশেষ অনুগ্রহ। এ ধরনের মজলিস উম্মাহকে রাসুলুল্লাহ সা.-এর জীবনাদর্শ ও সর্বোত্তম বংশ-পরিচয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমাম অধ্যাপক ড. আহমদ আত-তাইয়্যিবের উদ্যোগে আল-আজহারের ইলমি মজলিসগুলো আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে। এসব জ্ঞানচর্চার আসরে মুহাদ্দিস ও আলেমদের সঙ্গে উপস্থিত থাকা সৌভাগ্যের বিষয় এবং এটি বরকত ও কল্যাণের মাধ্যম।

তিনি বলেন, ইমাম তিরমিজি রহ.-এর আশ-শামায়িলুল মুহাম্মাদিয়্যাহ গ্রন্থ নবী করিম সা.-এর চরিত্র, স্বভাব, দৈনন্দিন জীবনযাপন ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে রচিত সর্বপ্রথম ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এ ধরনের গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ সা.-এর মহান আদর্শ সম্পর্কে গভীরভাবে জানা সম্ভব। তাই যুগে যুগে আলেমরা এসব গ্রন্থ পাঠকে বরকতময় আমল হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছেন।

ড. সালামা দাউদ আরও বলেন, জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে বয়স কোনো বাধা নয়। বার্ধক্যে জ্ঞান ক্ষীণ হয় না; বরং দৃঢ় মনোবল, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তা আরও বিকশিত হয়। তিনি শিক্ষার্থীদের হাদিস ও শামায়িলবিষয়ক গ্রন্থের ব্যাখ্যা গভীরভাবে অধ্যয়ন এবং মুহাদ্দিসদের স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ গবেষণা সম্পর্কে জানার আহ্বান জানান।

নিজের বক্তব্যে তিনি বিনয়ের পরিচয় দিয়ে বলেন, হাদিসশাস্ত্রে উপস্থিত বিশিষ্ট দুই আলেম অধ্যাপক ড. মুস্তাফা আবু উমারা ও অধ্যাপক ড. সুবহি আবদুল ফাত্তাহ রবির মাঝখানে বসার অনুরোধ পেয়ে তিনি রসিকতার সঙ্গে বলেন, আমি দুই পাহাড়ের মাঝে বিভাজন হতে চাই না; বরং তাদের মধ্যবর্তী উপত্যকা হয়েই থাকতে চাই।

তিনি হাদিসের ব্যাখ্যায় পদ্ধতিগত ও ভাষাগত গভীরতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নবী করিম সা.-এর হাদিস ও শামায়িলচর্চার মাধ্যমে উম্মাহ তাঁর মহান চরিত্র ও আদর্শের সঙ্গে আরও দৃঢ়ভাবে সম্পৃক্ত হবে।

অনুষ্ঠানটি আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমাম অধ্যাপক ড. আহমদ আত-তাইয়্যিবের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস বিভাগের অধ্যাপক ড. মুস্তাফা আবু উমারা, অধ্যাপক ড. সুবহি আবদুল ফাত্তাহ রবি, আল-আজহার মসজিদের ড. হানি আওদাসহ বিশিষ্ট আলেম ও গবেষকরা। অনুষ্ঠানে ইশারা ভাষারও ব্যবস্থা রাখা হয়।

সূত্র: জামে আল আজহারের ফেসবুক


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ