শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতার বলয়ে ঢুকে সংস্কার থেকে সরে এসেছে’ নামাজ দীনের স্তম্ভ, অন্য সব আমল যাচাইয়ের মাপকাঠি: শায়খ জুহানি বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি

সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের দাপ্তরিক কার্যাবলি, নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ধরনের কার্যক্রম থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. শামিউল ইসলাম প্রামাণিক স্বাক্ষরিত এক জরুরি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, কতিপয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অধিদপ্তরের কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন। বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর ভিডিও, পোস্ট, কমেন্ট ও স্ট্যাটাস শেয়ারের মাধ্যমে অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব প্রচারণার ফলে সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে অহেতুক অসন্তোষ, বিভ্রান্তি ও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যাবলি, নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত বা প্রশাসনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের ভিত্তিহীন, উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট, ভিডিও বা মন্তব্য করা থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোরভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্দেশনা অমান্য করে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রচলিত চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ