সোমবার, ২০ মে ২০২৪ ।। ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ ।। ১২ জিলকদ ১৪৪৫


মিসরে অবস্থানরত গা’যযাবাসী পরিবার ও শিক্ষার্থীদের সাথে বাংলাদেশীদের ঈদ উদযাপন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে পরিচালিত "বাংলাদেশ ফিলিস্তিন মৈত্রী সংস্থা" এর "গাযযাবাসী পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন" অনুষ্ঠান বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে মিসরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল পার্কে সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশের ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন (১৩ এপ্রিল ২০২৪) রোজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন গাযযা থেকে আগত ২৫ টি শরণার্থী পরিবার, শিশু কিশোর ও মিশরে অধ্যয়নরত প্রায় অর্ধশত ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী। তাদের সাথে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটির কার্যক্রম শুরু হয় বিকাল ৪ টায় এবং অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে সূর্য ডোবার মাধ্যমে।

আয়োজনে যা যা ছিল:

  • পার্কে প্রবেশের টিকেট বিতরণ
  • গেট থেকে রিসিভ পরবর্তী সার্বিক কুশল বিনিময়
  • শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও আনন্দ বিনোদন
  • শিশুদের মাঝে হরেকরকম খেলনা বিতরণ
  • ফি.লি.স্তিনী শিক্ষার্থীদের আর্থিক ঈদ সম্মানী প্রদান
  • গায.যার শরণার্থী পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান
  • প্রত্যেক শিশুকে ঈদ সালামী প্রদান
  • পড়ন্ত বিকেলে সকলের জন্য রুচি সম্মত হালকা খাবার ও জুস, পানির আপ্যায়ন
  • গা যযার পক্ষ থেকে তাদের একজনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ।

সংস্থার সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজ তরফদার তার বক্তব্যে বলেন, "ইচ্ছা করলে আমরা আজকের অনুষ্ঠানের বাজেটের এক তৃতীয়াংশ ব্যয় করে কায়রোর কোন একটি উন্নত রেস্টুরেন্টে মেহমানদের সম্মানে একবেলা ভোজের আয়োজন করতে ও নিজেদের ব্যানার ফেস্টুন লাগিয়ে প্রচারণা চালাতে পারতাম। কিন্তু এতে মুহাজির শরণার্থীদের উল্লেখযোগ্য কোনো উপকার হত না। BPFO একঝাঁক মেধাবী আযহারীদের সংগঠন। এজন্য আমরা চেষ্টা করেছি মেহমানদেরকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে সাবলম্বী করতে না পারলেও তাদের কিছু সমস্যা সমাধান করতে এবং স্বজন, ও দেশহারা পরিবারের উবে যাওয়া ঈদ আনন্দ কিছুটা হলেও ফিরিয়ে আনতে। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা উনাদের মুখে হাসি ফোটাতে সক্ষম হয়েছি। এ সাফল্য আযহারের কয়েকজন তরুণ শিক্ষার্থীর নয়, এ সাফল্য গোটা বাংলাদেশের।"

অনুষ্ঠান পরবর্তী নিজ অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে গাযযা অধিবাসীদের পক্ষ হতে ফিলিস্তিনের নাগকির হাইসাম নাজ্জার বলেন, "এহেন নাজুক মুহূর্তে Bangladesh Palestine friendship organization এর আয়োজন তাদেরকে অনেক বেশী আনন্দিত করেছে। বিশেষত তাদের বাচ্চাদেরকে নিয়ে BPFO-এর আয়োজনের বিষয়টি তাদেরকে পুলকিত করেছে। সর্বোপরি এত সুন্দর একটি আয়োজন উপহার দেওয়ার জন্যে এই সংস্থা ও অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত সবার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি ও বাংলাদেশের জনগনের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা জানাচ্ছি।" 

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ