মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলাম যুগোপযোগী ও কর্মসংস্থানমুখী করার উদ্যোগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলেদের জন্যও উপবৃত্তির ভাবনা সরকারের বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অনন্য অবদান হেরা গুহার নিঃসঙ্গ ভাবনা বুলবুল হত্যা: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ওসির সঙ্গে ইসলামী যুব আন্দোলনের সাক্ষাৎ দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ঢাকা মেডিকেল এলাকার আশপাশ যেন গাঁজাখোর জোন: কে এম শরীয়তুল্লাহ জামেয়া দ্বীনিয়া দারুল আবরার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হেলাল উদ্দিন আফতাবি-র ইন্তেকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

বাজারে আসছে মাওলানা যাইনুল আবিদীনের মৌলিক সিরাত গ্রন্থ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের বরেণ্য আলেম লেখক মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন সিরাতের ওপর মৌলিক একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। ‘আমাদের নবীজি’ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামের গ্রন্থটি পবিত্র রবিউল আউয়াল উপলক্ষে শিগগির বাজারে আসবে। লেখকের নিজস্ব প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মেশক প্রকাশন থেকে বইটি আসছে বলে জানা গেছে। 

বইটি কিশোর উপযোগী করে লেখা হলেও এতে সব শ্রেণির পাঠকের খোরাক রয়েছে। লেখকের দীর্ঘ সাধনার ফসল গ্রন্থটি। তিনি টানা কয়েক বছর কাজ করেছেন বইটি লিখতে। 

বিশিষ্ট লেখক ও মুহাদ্দিস মাওলানা যাইনুল আবিদীন জানান, তিনি মৌলিক সিরাতের ওপর একটি কাজ করতে পেরে তৃপ্ত। ইতোমধ্যে তিনি শতাধিক গ্রন্থ লিখলেও এটি তার প্রিয় একটি বই। তিনি আশা করছেন, বইটি পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলবে।  

‘আমাদের নবীজি’ গ্রন্থে লেখকের কথায় মাওলানা যাইনুল আবিদীন লিখেন-
মাওলানা নদবীর প্রিয় গ্রন্থ 'যাদুল মাআদ' আমার এখনও প্রিয়, এর স্বাদ সত্যিই আলাদা। আমি সীরাতে ইবনে হিশাম যখন পড়ি তখন নিজেকে বেশ বোকা মনে হয়! নিজেকে সান্ত্বনা দিই-তবুও তো ঝর্ণার উৎসটা পেলাম। আসলে আমাদের সময়ে বিষয়ভিত্তিক পাঠ, কোন গ্রন্থ কেন পড়ব, কোনটা আগে পড়ব কোনটা পরে এসব নিজেকেই খুঁজে নিতে হতো। খুঁজতে খুঁজতে পরিচিত হই মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আসসালেহীর সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ, আল্লামা সামহূদীর ওয়াফাউল ওয়াফা বিআখবারি দারিল মুস্তফা, কাজী ইয়াযের আশশিফা, আল্লামা ইবনে তায়মিয়ার আসসারিমুল মাসলুল, হাফেয যাহাবীর আসসীরাতুন নাবাবিয়্যাহ এবং ইমাম ইবনে কাসীরের আলবিদায়া ওয়ান নিহায়া ও আলফুসূলসহ কত অনন্য রচনার সঙ্গে। সংগ্রহ করি, পড়ি। মাওলানা গিলানীর আননাবিয়্যুল খাতাম-এর মতো কোনো কোনো গ্রন্থ বারবার পড়ি। বিশেষ করে রবিউল আউয়াল উপলক্ষে প্রকাশিত বিভিন্ন দীনি পত্রিকার সীরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংখ্যার লেখার জন্যে আদিষ্ট হই। লেখার প্রয়োজনে পড়ি, লিখি। 

পড়ার সময়, লেখার সময় মাঝেমধ্যেই এই ভেবে মন কাতর হতো-যদি নবীজির পূর্ণাঙ্গ জীবনী লিখতে পারতাম! আবেগে কখনও কখনও একা একা কেঁদে ফেলতাম। কেন যেন শুরু করতে পারতাম না। 

আজ আমি আনন্দিত। আমি তৃপ্ত, সুখী। প্রিয়তম মনিব, যাঁর হাতের কাওসারের আশায় বুক বেঁধে আছি, যাঁর শাফায়াতের আশায় একা একা অশ্রুসজল হই, যাঁর শহরের নাম ধরে আনমনে গুনগুন করি-অবশেষে তাঁর জীবনীখানা আমি লিখতে পেরেছি। এ আমার লেখকজীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন; আমার প্রতি আমার দয়ালু আল্লাহর শ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ। 

প্রধানত কিশোরদের জন্যে লেখা হলেও, সীরাতের স্বাদ সব পাঠকই পাবেন, আশা করি। 

নবীজির জীবন পুরোটাই নূর। এই নূর আল্লাহ আমাদের সবাইকে নসীব করুন আর এর সকল পাঠককে নসীব করুন নবীজির শাফায়াত-এই মুনাজাত করি।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ