শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ।। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘দ্রুতবিচারের দাবিকে মধ্যযুগীয় বলে জনতার সঙ্গে উপহাস করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ মসজিদে হারামের খুতবায় হজের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান ‘ধর্ষকের প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ডকে মধ্যযুগীয় বলা ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা’ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাফেজ কামরুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুগ ধরে হজের খুতবা দিয়েছেন যেসব আলেম রাত ১টার মধ্যে ১১ অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধে মারামারি, আহত ১২ ‘ঔপনিবেশিক আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি গণ-অনাস্থা তৈরি হয়েছ’ শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিক্ষোভ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫

ধনী ব্যক্তির স্ত্রীকে জাকাত দেওয়া যাবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রশ্ন: স্বামী যদি ধনী বা সম্পদশালী হয় আর তার স্ত্রী যদি দরিদ্র বা সম্পদহীন হয়, তাহলে স্ত্রীকে কি জাকাত দেওয়া যাবে?

উত্তর: স্বামী সম্পদশালী হলেই তার স্ত্রী সম্পদশালী গণ্য হন না। তাই স্বামী সম্পদশালী হলেও এবং স্ত্রীর ভরণ-পোষণের ব্যয় বহন করলেও স্ত্রী দরিদ্র বা সম্পদহীন হলে স্বামী ছাড়া অন্যান্য ধনী জাকাতদাতারা তাকে জাকাত দিতে পারবেন।

স্বামী নিজের জাকাতের অর্থ দরিদ্র স্ত্রীকে দিতে পারবেন না। যেহেতু স্ত্রীর ভরণপোষণের ব্যয় বহন করা স্বামীর ওপর ওয়াজিব। আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে যাদের ভরণপোষণের খরচ দেওয়া আবশ্যকীয় কর্তব্য বা ওয়াজিব তাদেরকে জাকাত দেওয়া যায় না। যেমন বাবা, মা, দাদা, দাদী, নানা, নানী যত ওপরেরই হন, নিজের ছেলে, মেয়ে, পৌত্র, প্রপৌত্র যত নিচেরই হয়, এদেরকে জাকাত দেওয়া নিষিদ্ধ। তারা অভাবে পড়লে সামর্থ্য থাকলে তাদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা ওয়াজিব।

জাকাত ইসলামের ফরজ বিধান, ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক ও সম্পদশালী মুসলমান পুরুষ ও নারীর প্রতি বছর নিজের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ দরিদ্র-দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণের নিয়মকে জাকাত বলা হয়। শরিয়ত নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদ হিজরি ১ বছর ধরে কারো কাছে থাকলে তাকে সম্পদশালী গণ্য করা হয় এবং তার বর্ধনশীল সম্পদের ২.৫ শতাংশ বা ১/৪০ অংশ দান করতে হয়। কোরআনে জাকাত শব্দের উল্লেখ এসেছে ৩২ বার, নামাজের পর জাকাতের কথাই সবচেয়ে বেশি বলা হয়েছে।

জাকাত কাদের দিতে হবে সে সম্পর্কে কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, সদকা হচ্ছে দরিদ্র ও অভাবীদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য; তা বণ্টন করা যায় দাস আযাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত, আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। (সুরা তওবা: ৬০)

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ