শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময় ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী (রহ.) কনফারেন্স’ ১৮ জুলাই মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ শুক্রবার

মক্কার মিউজিয়ামে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে লেখা কোরআন প্রদর্শনী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত হোলি কোরআন মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের হাতে লেখা পবিত্র কোরআনের একটি অনুলিপি। বিশাল এই পাণ্ডুলিপিটি আকার ও নান্দনিকতার দিক থেকে অনন্য হওয়ায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও স্বীকৃতি পেয়েছে।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রদর্শিত কোরআন শরিফটির দৈর্ঘ্য ৩১২ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ২২০ সেন্টিমিটার। এতে মোট ৭০০ পৃষ্ঠা রয়েছে। আকার ও উপস্থাপনার কারণে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআনের পাণ্ডুলিপি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি মূলত ১০ম হিজরি শতাব্দী বা ১৬শ শতাব্দীর একটি ঐতিহাসিক কোরআনের বর্ধিত অনুলিপি। মূল কপিটির মাপ ছিল ৪৫ বাই ৩০ সেন্টিমিটার। সেই কোরআনের বেশির ভাগ সুরা লেখা হয়েছিল থুলুথ লিপিতে, আর সুরা ফাতিহা লেখা হয়েছিল নাসখ লিপিতে। এতে সে সময়ের ক্যালিগ্রাফি শিল্পের সূক্ষ্মতা ও নান্দনিক বৈচিত্র্য স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

এই কোরআনটি আরবি ক্যালিগ্রাফি, স্বর্ণালংকরণ ও গ্রন্থ বাঁধাইয়ের অন্যতম নিদর্শন। প্রথম পাতায় সূর্যাকৃতির অলংকরণ, সূচনা ও শিরোনাম পাতার নকশা এবং জটিল অলংকারে ফুটে উঠেছে ইসলামী শিল্পকলার উচ্চমাত্রার শৈল্পিক উৎকর্ষ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মূল কোরআনটি ১৩০০ হিজরি বা ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে ওয়াকফ হিসেবে উৎসর্গ করা হয়েছিল। বর্তমানে সেটার আসল পাণ্ডুলিপিটি সংরক্ষিত রয়েছে কিং আবদুলআজিজ কমপ্লেক্স ফর এন্ডাওমেন্ট লাইব্রেরিতে।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষের মতে, এই ঐতিহাসিক কোরআন মুসলমানদের কোরআনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাশাপাশি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা সমৃদ্ধ ইসলামী শিল্প ও সংস্কৃতির এক জীবন্ত সাক্ষ্য হয়ে আছে।

সূত্র : গালফ নিউজ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ