শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময় ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী (রহ.) কনফারেন্স’ ১৮ জুলাই মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ শুক্রবার

গোসল ফরজ হয় যেসব কারণে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

||নাজমুল হাসান||

নাপাকী থেকে পবিত্রতা অর্জন করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। কিছু নির্দিষ্ট অবস্থায় পৌঁছালে মুসলমানের ওপর গোসল ফরজ হয়ে যায়। এসব অবস্থায় গোসল ছাড়া নামাজ, কুরআন তিলাওয়াতসহ বহু ইবাদত আদায় করা যায় না। তাই কখন ও কোন কারণে গোসল ফরজ হয়—এ বিষয়গুলো জানা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য অপরিহার্য। নিচে গোসল ফরজ হওয়ার প্রধান কারণগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

১. স্বামী-স্ত্রী সহবাস করলে কিংবা পুরুষের স্বপ্নদোষ হলে।

হজরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, ‘যখন কোন পুরুষ তার (স্ত্রীর) দুই পা ও দুই রানের মাঝে বসবে এবং একের লজ্জাস্থান অপরের লজ্জাস্থানের সাথে লেগে যাবে তখন (দু’জনেরই) গোসল ফরয হয়ে যাবে।’ (মুসলিম: ৩৪৯)

২. নারীদের ঋতুস্রাব অথবা পিরিয়ড হলে।

আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (স) ফাতেমা বিনতে আবু ইবাইসকে আদেশ করেন, ‘হায়েয শুরু হলে সালাত ছেড়ে দাও । আর হায়েয শেষ হলে গোসল কর এবং নামায পড়তে শুরু কর।’ (বুখারী: ৩২০, আধুনিক: ৩০৯, ইফা: ৩১৪)

৩. সন্তান প্রসবের পর রক্তপাত বন্ধ হলে।

৪. মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া জীবিতদের জন্য।

৫. কোনো অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করলে।

ফরজ গোসল করার নিয়ম

পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র হওয়ার নিয়ত করতে হবে। মানে স্ত্রী-সঙ্গম, স্বপ্নদোষ, ঋতুগ্রাব ও প্রসব ইত্যাদির কারণে যে নাপাকি এসেছে, সেটা দূর করার নিয়ত করবেন। অর্থাৎ, মনে মনে এই চিন্তা করবেন যে — নাপাকি দূর করার জন্য গোসল করছি।

এরপর লজ্জাস্থানে লেগে থাকা নাপাকি প্রথমে ধুয়ে নেবেন। তারপর দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ধুয়ে নেবেন। সাবান বা এজাতীয় কিছু দিয়ে ধুতে পারলে ভালো; না হলেও অসুবিধা নেই।

তারপর নামাজের অজুর মতো করে পূর্ণাঙ্গ অজু করবেন। এরপর পানি দিয়ে মাথা ভিজিয়ে নেবেন। তারপর প্রথমে শরীরের ডান অংশে এবং পরে বাম অংশে পানি ঢালবেন। তারপর সারা দেহে পানি ঢালবেন।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ