শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময় ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী (রহ.) কনফারেন্স’ ১৮ জুলাই মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ শুক্রবার

পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিশ্বজুড়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান শুরু হতে আর মাত্র ৩৬ দিন বাকি রয়েছে। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাকটিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজানের প্রথম দিন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। মহাকাশ গবেষণা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। খবর গালফ নিউজের। 

হিজরি সনের মাসগুলো সম্পূর্ণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতি বছরই রমজান ও ঈদের সুনির্দিষ্ট তারিখের ক্ষেত্রে একদিনের হেরফের হয়। দুবাইয়ের সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, রমজানের সম্ভাব্য শেষ দিন হতে পারে আগামী ১৯ মার্চ, যা ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বৃহস্পতিবার। সেই হিসাব অনুযায়ী, ২০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে হিজরি বর্ষপঞ্জির রজব মাস চলছে। সাধারণত হিজরি মাসগুলো চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। শাবান মাসের শেষে রমজানের চাঁদ দেখা গেলেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চাঁদ দেখা কমিটি সুনিশ্চিতভাবে রোজার তারিখ ঘোষণা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও ইতিমধ্যে ১৮ ফেব্রুয়ারিকেই সবচেয়ে শক্তিশালী সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রমজান মাস শুরুর এই সম্ভাব্য সময়কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্মীয় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। তবে প্রতিবারের মতো এবারও নিজ নিজ দেশে চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই কেবল রোজা ও ঈদের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ