শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময় ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী (রহ.) কনফারেন্স’ ১৮ জুলাই মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ শুক্রবার

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, মিনায় হাজিরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে আজ শুরু হচ্ছে হজের আনুষ্ঠানিকতা। এরইমধ্যে মিনায় পৌঁছেতে শুরু করেছেন হজ করতে যাওয়া মুসল্লিরা। সবার মুখে মুখে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি।

নিয়ম অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৭ জিলহজ) সন্ধ্যার পর মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম বা নিজ আবাসন থেকে হজের নিয়ত করে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে মিনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন হজযাত্রীরা।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত চার লক্ষাধিক হাজি মিনায় অবস্থান করছেন। ‘লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক’ ধ্বনিতে মুখরিত মিনা উপত্যকা, যা হজের পবিত্র আবহকে আরও গভীর করছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতেই ইহরাম বেঁধে মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা হন ধর্মপ্রাণ অনেক মুসলমান। রাত্রি যাপন শেষে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রওনা হবেন আরফাতের ময়দানের উদ্দেশে। সেখানেই অনুষ্ঠিত হবে হজের খুতবা।

আরাফাতে অবস্থানকেই মূলত হজ হিসেবে ধরা হয়। এবার বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রায় ১৫ লাখ মুসল্লি হজ পালন করছেন। মুসল্লিদের হজ পালন নির্বিঘ্ন করতে কড়া নিরাপত্তাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি সরকার।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখের মধ্যে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতাগুলো সম্পন্ন করা হয়। এ সময়ের মধ্যে হজযাত্রীরা চার দিনের বিভিন্ন ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন।

সৌদি আরবের ধর্মীয় বিষয়ক প্রেসিডেন্সি রোববার (২৫ মে) ঘোষণা করেছে যে, এ বছর হজে আরাফার দিনের ঐতিহাসিক খুতবা প্রদান করবেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শেখ সালেহ বিন হুমাইদ।

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এক রাজকীয় ফরমানে তাকে আরাফাহর দিনে খুতবা দেওয়ার অনুমোদন দেন। আগামী ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবাহ দেবেন তিনি।

৯ জিলহজ বৃহস্পতিবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান করে হাজিরা চলে যাবেন মুজদালিফায়। সেখানে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরে আসবেন। মিনায় এসে বড় শয়তানকে পাথর মারা, দমে শোকর বা কুরবানি দেওয়া ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে মক্কায় গিয়ে কাবা শরিফ তওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সায়ি করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় ফিরবেন। পরে মিনায় ১১ ও ১২ জিলহজ থেকে তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানকে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ি তওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ