কোরবানির মতো মহৎ বিধান পালন করতে গিয়ে পশু ক্রয় ও জবেহের অনেক ক্ষেত্রে আমরা সঠিক পন্থা অবলম্বন করি না। এ প্রবন্ধের মাধ্যমে কোরবানির প্রস্তুতি ও পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করব—
১. চার ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি নয়
কোরবানির পশু ক্রয়ের ক্ষেত্রে রাসুল (সা.) নির্দেশিত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো যথাযথভাবে খেয়াল করতে হবে। আবু জাহহাক উবায়দ (রহ.) বলেন, আমি বারা (রা.)-কে বললাম : যেসব পশু কোরবানি করতে রাসুল (সা.) নিষেধ করেছেন, তা আমার কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) (খুতবা দিতে) দাঁড়ালেন, আর আমার হাত তাঁর হাত অপেক্ষা ছোট।
তিনি বললেন, চার প্রকার পশুর কোরবানি বৈধ নয়, ১. কানা পশু, যার কানা হওয়াটা সুস্পষ্ট, ২. রুগ্ণ, যার রোগ সুস্পষ্ট, ৩. খোঁড়া পশু, যার খোঁড়া হওয়া সুস্পষ্ট এবং ৪. দুর্বল, যার হাড়ে মজ্জা নেই। আমি বললাম, আমি শিং ও দাঁতে ত্রুটি থাকাও পছন্দ করি না। তিনি বলেন, তুমি যা অপছন্দ করো, তা ত্যাগ করো; কিন্তু অন্য লোকের জন্য তা হারাম কোরো না। (নাসায়ি, হাদিস : ৪৩৬৯)
২. নামাজের পরে জবেহ করবে
ঈদের নামাজের আগে কোরবানির পশু জবেহ করার সুযোগ নেই।
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের পূর্বে জবেহ করল, সে নিজের জন্যই জবেহ করল। আর যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের পরে জবেহ করল, তার কোরবানি পূর্ণ হলো এবং সে মুসলিমদের নীতি গ্রহণ করল। (বুখারি, হাদিস : ৫৫৪৬)
৩. আলà