শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ।। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আসামিপক্ষে মামলা লড়বেন না ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী আগামীকাল ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম ইফার নতুন মহাপরিচালক মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী শতাব্দীর হজযাত্রা: স্মৃতিতে লিপিবদ্ধ এক ইতিহাস ৭ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, সচল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দেখতে দেখতে হুজুরের চলে যাওয়ার ৯ বছর হয়ে গেল! ঈদের ফিরতি ট্রেন যাত্রা: আজ বিক্রি হচ্ছে ১ জুনের টিকিট জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’ চুক্তি অনুমোদন ফেনীতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত

ভিন্ন রীতির কোরবানির ঈদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান

ঈদুল আযহা মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মুসলমান সম্প্রদায়ের উৎসব হলেও  অনেক দেশে ভিন্ন রীতিতে পালিত হয়। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হযরত ইব্রাহিম (আ.) এর ত্যাগ ও আনুগত্যের স্মরণে পশু কোরবানি করা, তবে স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রভাবে এর উদযাপন পদ্ধতিতে বৈচিত্র্য দেখা যায়।

ইরাক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক মুসলিম ধর্মাবলম্বিদের কাছে পবিত্র একটি অঞ্চল। অথচ মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা তারা পালন করে ব্যতিক্রমী রীতিতে। বড়োপির আব্দুল কাদের জিলানির মাজারের অবস্থান দেশটির রাজধানী বাগদাদ শহরে। চমকপ্রদ বিষয় হচ্ছে, ঈদুল আজহায় মুসলিমপ্রধান ইরাকে পশু কোরবানির প্রথা খুব একটা নেই। যারা কোরবানি দিতে আগ্রহী তারা বড়োপিরের মাজারে দুম্বা কিংবা ভেড়া দান করেন।

মরক্কো

মরক্কোর অধিবাসীরাও ঈদুল আযহা পালনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কিছু রীতি অনুসরণ করে। তারা আনন্দ-উৎসবের অংশ হিসেবে কোরবানির পশুর মাথায় মেহেদি মাখায়। অনেকে আবার পশমাবৃত আলখাল্লা ধরনের পোশাক পরে আগের বছরের কোরবানির পশুগুলোর শিং মাথায় পরে আনন্দ করতে করতে কোরবানিদাতাদের কাছে গিয়ে ধন্যবাদ জানায়। তিন দিন তারা ভিন্ন ভিন্ন আয়োজন করে। প্রথম দিন তারা মাংস ভুনা করে সম্মিলিত ভাবে সেগুলো খায়। দ্বিতীয় দিন রান্না করে কোরবানির পশুগুলোর মাথা। তৃতীয় দিন তারা তৈরি করে মাংসের রকমারি খাবার।

ইন্দোনেশিয়া

জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। আমাদের দেশে যেমন প্রায় ঘরে ঘরে গরু-ছাগল ইত্যাদি কুরবানী করা হয় ওরা তা করে না। ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত যারা হজ পালন করেছেন শুধু তারাই পশু কোরবানি করে থাকেন। সারা দেশেই গরু বা ছাগল কিনে হাজিরা এলাকার মসজিদে দিয়ে দেন। মসজিদগুলোতে কোরবানির পশুগুলো জমা হয়। তারপর কোরবানির মাংসকে সমানভাবে ভাগ করে পাঠানো হয় এলাকার সব বাড়িতে  ।

মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়াতেও কোরবানি করা হয় সমাজবদ্ধভাবে। স্থানীয় মসজিদে কোরবানি করে মাংসও একসঙ্গে বণ্টন করা হয়। ইদানীং মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতে ‘বিলাসী’ কোরবানির হাট গড়ে উঠেছে। এগুলোকে হাট না বলে কোরবানির পশুর শোরুমই বলা হয়!

যুক্তরাষ্ট্র

ব্যস্ত মানুষের দেশ আমেরিকায় ঈদের জামাতের পর শুরু হয় কোরবানি। নির্দিষ্ট গ্রোসারিতে অথবা পশুর খামারেই সাধারণত কোরবানি করে সেখানকার মুসলমানেরা। গ্রোসারিতে কোরবানি করলে কোরবানিদাতার নাম, বাবার নাম আর অর্থ দিয়ে আসতে হয়। তারাই কোরবানি করে মাংস প্যাকেটে করে রেখে দেয়।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ