শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচার রুখতে আঞ্চলিকভাবে আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ লাখো মানুষের শ্রদ্ধা শেষে জন্মস্থানে শায়িত খামেনি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রবীণ নেতা মাওলানা ফজরুদ্দীন গঙ্গওয়ানীর ইন্তেকাল বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুর্ভোগ: জাপান গার্ডেন সিটি পরিদর্শনে আমিরে মজলিস আমাদের পীর শায়েখ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী রহ.-এর স্মৃতি বাদ জুমা রাজধানীতে ইসলামী আন্দোলনের গণমিছিল বাদশার অতিথি হিসেবে ২৫০ ওমরাহযাত্রীকে স্বাগত জানাল সৌদি আরব হাফেজিয়া বোর্ড গঠন ইস্যুতে হাইআতুল উলয়াকে সমর্থন মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা ১৪ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, টানা বর্ষণের আভাস

রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তুর শরয়ী হকুম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| মুহিউদ্দীন মাআয ||

চলার পথে অনেক সময় বিভিন্ন জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যায়। কখনো এমন হয়, সেটা হেফাজত না করলে নষ্ট হয়ে যাবে, বা এমন কেউ নিয়ে যাবে, যে মালিকের কাছে পৌঁছে দিবে না। এমতাবস্থায় পতিত বস্তুটি কুড়িয়ে আসল মালিকের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব। 

অনেক সময় পথে প্রাপ্ত বস্তুর প্রকৃত মালিককে খুঁজে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান হলো—প্রাপ্ত বস্তুটি মূল মালিকের কাছে পৌঁছানোর যথাসম্ভব চেষ্টা করা। যেমন:- প্রাপ্তস্থানের আশপাশের দোকান-বাসাবাড়িতে খোঁজ নেওয়া, পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া।

খোঁজার পর যদি কোনভাবেই মালিককে না পাওয়া যায় এবং এই ধারণা হয় যে, মালিককে হয়ত পাওয়া যাবে না, তাহলে প্রাপ্ত বস্তু তার মালিকের নামে দান করে দিবে। বস্তুর আসল মালিক দানের সওয়াব পাবে। 

তবে রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিস যে কুড়িয়ে নিল যদি সে নিজেই গরীব হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে নিজে ব্যবহার করতে পারবে। আর ধনী হলে, তার জন্য ব্যবহার করা জায়েজ হবে না।

এরপর যদি কোনোদিন প্রাপ্ত বস্তুর মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়, তাহলে মালিকের কাছে সেটি ফেরত দিতে হবে। তবে দান করে দিয়ে থাকলে মালিক সওয়াব পেয়ে যাবে। আর যদি বস্তুটির মালিক দানের কথা জানার পরও তার জিনিস ফেরত চায় তাহলে জরিমানা দিতে হবে। (রদ্দুল মুহতার, ৬/৪৩৭)

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ