বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’ 

জুমার খুৎবা শোনার গুরুত্ব ও ফযিলত


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

II নাদিরুজ্জামান II

জুমার দিন ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাসনার দিন। এ দিনটি মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের ধর্মীয় শিক্ষার একটি মূল উৎস। আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসূল মোহাম্মাদ (সা.) এর উপর জুমার খুতবার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

খুতবা শোনার গুরুত্ব:

ইসলামি শিক্ষা: খুতবার মাধ্যমে মুসলমানরা ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষালাভ করে থাকে। ইমাম সাহেবগন কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা এবং বিভিন্ন ইসলামি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে থাকেন। এর মাধ্যমে অনেক অজনা বিষয়ের জ্ঞান লাভ হয়

সামাজিক সম্পর্ক: জুমার নামাজে  সর্বস্তরের মুসলমানরা একত্রিত হয় এবং খুতবা শুনে। এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের একতা ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

আত্ম পরিশুদ্ধি: খুতবার মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারে। ইমামের উপদেশ শুনে তারা নিজেদের জীবনকে আরও ভালোভাবে গঠন ও পরিচালিত করতে পারে।

সামাজিক সমস্যা সমাধান: ইমামরা খুতবার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের উপায় বের হয়ে আসে।

আল্লাহর স্মরণ: খুতবার মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাঁর প্রতি ভক্তি নিবেদন করে।

আয়াত ও হাদিসের আলোকে খুতবার গুরুত্ব:

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন- "হে মুমিনগণ! যখন জুমার দিন নামাজের আহ্বান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (মসজিদে) এগিয়ে যাও এবং বেচাকেনা (দুনিয়াবি যাবতীয় কাজকর্ম) ছেড়ে দাও। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা জানতে।" সূরা জুমা আয়াত ৯:

রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, "যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, জুমার নামাজের জন্য যায় এবং সামর্থ্যানুযায়ী নামাজ আদায় করে, এরপর ইমাম খুতবা শেষ করা পর্যন্ত নীরব থাকে, এরপর ইমামের সঙ্গে নামাজ আদায় করে, তার এ জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গোনাহ সমূহ মাফ করে দেওয়া হয়।" (মুসলিম শরীফ:)

খুতবার ফযিলত:

গুনাহ মাফ: যে ব্যাক্তি মনযোগ সহকারে খুতবা শুনে এবং ইমামের সাথে নামাজ আদায় করে তার গুনাহ মাফ হয়।

আল্লাহর সন্তুষ্টি: খুতবা শুনে আল্লাহ তা'আলা সন্তুষ্ট হন।

ইমান বৃদ্ধি: খুতবার মাধ্যমে ইমান বৃদ্ধি পায়।

জ্ঞান অর্জন: বিভিন্ন ইসলামি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়।

সুতরাং, জুমার খুতবা মুসলমানদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাসনা। এটি ইসলামি শিক্ষা, সামাজিক সম্পর্ক, আত্মিক পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি বড় মাধ্যম।

মুসলমানদের উচিত জুমার নামাজে সময়মত উপস্থিত হওয়া এবং ইমামের খুতবা শুনে তার উপদেশ অনুযায়ী আমল করা।

এমএন/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ