বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ।। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদুল আজহায়ও বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত, ইমাম যাঁরা রামিসার খুনির ফাঁসি জনসম্মুখে কার্যকরের দাবিতে ছাত্রী মজলিসের বিক্ষোভ ফরিদপুর জেলা ছাত্র জমিয়তের সদস্য সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন শরিয়াহ আইনে ধর্ষক ও খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি কোরবানির চামড়া সংগ্রহ নিয়ে নারায়ণগঞ্জের মাদরাসাগুলোর আলটিমেটাম গরু-মহিষ কুরবানি করব, কেউ আটকাতে পারবে না: মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী কওমি পড়ুয়াদের ঈদ ও প্রচলিত চামড়া কালেকশন ঈদের ছুটিতে লেনদেন স্বাভাবিক রাখতে নতুন নির্দেশনা হারামাইনে কাল জুমার খুতবা দেবেন যাঁরা হেফাজতে বিভক্তি নয়, ঐক্যই সময়ের দাবি: আবদুর রব ইউসুফী

খাওয়ার সময় কি সালাম দেওয়া যাবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

খাওয়ার সময় সালাম দেওয়া বা সালামের উত্তর দেওয়া নাজায়েজ নয়। খাবার খেতে থাকা ব্যক্তির জন্য অন্যকে সালাম দেওয়া জায়েজ, অন্যের জন্যও তাকে সালাম দেওয়া জায়েজ। তবে এ সময় সালাম দেওয়া যদি তার কষ্ট বা বিরক্তির কারণ হয়, তাহলে সালাম দেওয়া মাকরুহ বা অপছন্দনীয় হবে।

ইসলামে সালাম অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ আমল। রাসুল সা. বেশি বেশি সালাম দিতে উৎসাহিত করে বলেছেন সালাম মুসলমানদের পারস্পরিক সৌহার্দ ও ভালোবাসা বাড়ায়।

নবিজি সা. বলেন, সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা মুমিন না হলে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না আর পরস্পরে সৌহার্দ ও ভালোবাসা না রেখে তোমরা মুমিন হতে পারবে না। আমি তোমাদের এমন কাজের কথা বলছি যা তোমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ বৃদ্ধি করবে, নিজেদের মধ্যে বেশি বেশি সালাম দাও। (সহিহ মুসলিম: ২০৩)

তবে কিছু অবস্থায় সালাম দেওয়া অপছন্দনীয় ও নিষিদ্ধ। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রা. বলেন, এক ব্যাক্তি একবার নবিজিকে সা. প্রশ্রাবরত অবস্থায় সালাম দিলো। নবিজি প্রয়োজন পূরণ শেষ করে অজু করার পর তার সালামের উত্তর দিলেন এবং বললেন, আমাকে এ অবস্থায় দেখতে পেলে সালাম দিও না। এ অবস্থায় আমি তো তোমার সালামের উত্তর দিতে পারবো না। (সুনান ইবনে মাজা: ৩/৩৫২)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায় প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করছে এমন ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া যাবে না। ইসলামি আইন বিশারদগণ এ রকম আরও কিছু অবস্থার কথা উল্লেখ করেছেন, যাদেরকে সালাম দেওয়া অপছন্দনীয় ও মাকরুহ:

 

১. যে অজু-গোসল করছে বা গোসলখানায় অবস্থান করছে, তাকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

 

২. যে খাবার খাচ্ছে, তাকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

 

৩. কুরআন তিলাওয়াত বা আল্লাহর জিকির করছে এমন ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

 

৪. যে ব্যক্তি তাওয়াফ করছে ও তালবিয়া পড়ছে, তাকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

 

৫. কোথাও কুরআন, হাদিস বা দীনি ইলমের ক্লাস, আলোচনা ‍চলতে থাকলে সেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীদের সালাম দেওয়া মাকরূহ।

 

৬. খুতবা বা ওয়াজের মজলিসেও ওয়াজকারী ও শ্রোতাদের সালাম দেওয়া মাকরুহ।

 

৭. আজান ও ইকামতের সময় মুআজ্জিনকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

 

৮. প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের সময় কাউকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ