শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :

উপনির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে অস্বীকৃতি মাওলানা বদরুদ্দিন আজমলের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আসামের নগাঁও লোকসভা আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে বিরোধী শিবিরে মতবিরোধ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এআইইউডিএফ)। দলটির সভাপতি মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

উপনির্বাচনে এআইইউডিএফের প্রার্থী হিসেবে রিজাউল করিমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। মাওলানা আজমলের এ সিদ্ধান্তের ফলে নগাঁওয়ে বিরোধী ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নগাঁও লোকসভা আসনটি শূন্য হয় সাবেক কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈ পদত্যাগ করার পর। ২০২৬ সালের মার্চে তিনি লোকসভা সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আসাম বিধানসভা নির্বাচনে দিসপুর আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হন। লোকসভার স্পিকার ২০ মার্চ ২০২৬ থেকে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

এদিকে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কংগ্রেসের সমালোচনা করে স্পষ্ট জানিয়েছেন, এআইইউডিএফ কংগ্রেসের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় যাবে না। নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি নিয়েই দলটি উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

অন্যদিকে, এআইইউডিএফের এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। দলটির মতে, বিরোধী দলগুলোর প্রার্থী আলাদা হলে ভোট বিভক্ত হয়ে নির্বাচনী ফলাফলে তার প্রভাব পড়তে পারে। তবে এআইইউডিএফের অবস্থান হলো, নিজেদের প্রার্থী দিয়ে দলটির রাজনৈতিক শক্তি ও জনসমর্থন যাচাই করা।

বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর বৃহত্তর ঐক্য নিয়ে আসামে যখন রাজনৈতিক আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই নগাঁও উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও এআইইউডিএফের দূরত্ব প্রকাশ্যে এলো। ফলে এই আসনের উপনির্বাচনে বিরোধী ভোটের সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সূত্র: ইউএনএ নিউজ

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ