মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলাম যুগোপযোগী ও কর্মসংস্থানমুখী করার উদ্যোগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলেদের জন্যও উপবৃত্তির ভাবনা সরকারের বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অনন্য অবদান হেরা গুহার নিঃসঙ্গ ভাবনা বুলবুল হত্যা: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ওসির সঙ্গে ইসলামী যুব আন্দোলনের সাক্ষাৎ দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ঢাকা মেডিকেল এলাকার আশপাশ যেন গাঁজাখোর জোন: কে এম শরীয়তুল্লাহ জামেয়া দ্বীনিয়া দারুল আবরার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হেলাল উদ্দিন আফতাবি-র ইন্তেকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

পশ্চিমবঙ্গে ১২৭৯টি মসজিদ থেকে মাইক ও লাউড স্পিকার অপসারণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গত দুই দিনে ১২৭৯টি মসজিদ থেকে মাইক ও লাউড স্পিকার অপসারণ করেছে রাজ্য পুলিশ। অভিযানে প্রায় দুশো মন্দির থেকেও লাউড স্পিকার অপসারণ করা হয়েছে।

একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০০০-এ নির্ধারিত শব্দসীমা এবং অন্যান্য বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী অনুমোদিত সীমার বাইরে শব্দ সম্প্রচার রোধে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পুলিশের মৌখিক নির্দেশনা মেনে কোনো আপত্তি ছাড়াই লাউড স্পিকার অপসারণ করেছে। তবে কয়েকটি মসজিদ কমিটি লিখিত নোটিশ ছাড়া এ ধরনের নির্দেশ কার্যকর করার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক লিখিত নির্দেশনা দেওয়া উচিত ছিল।

এদিকে, ভাঙ্গড়ের বিধানসভা সদস্য ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) নেতা নওশাদ সিদ্দিকী এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই ধরনের নিয়ম প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারকে একটি স্বচ্ছ ও অভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করতে হবে। এতে আইন প্রয়োগে বৈষম্যের অভিযোগও দূর হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

পুলিশের এই পদক্ষেপ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে প্রশাসন এটিকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনি উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে কিছু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা ও লিখিত নির্দেশনার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। সূত্র: উর্দু নিউজ কলকাতা

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ