কানাডা বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি আস্থা ও অভিন্ন সমৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে দৃঢ় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর) বলা হয়েছে, ‘আমরা আমাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং আস্থা ও অভিন্ন সমৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে আরও শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী।’
বাজার সম্পৃক্ততা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২৩ থেকে ২৫ নভেম্বর ঢাকায় সিরিয়ালস কানাডা, কানাডিয়ান গ্রেইন কমিশন এবং আলবার্টা গ্রেইনস-এর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কানাডিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর উপলক্ষে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
সফরের অংশ হিসেবে, প্রতিনিধিদলটি সিরিয়ালস কানাডার নেতৃত্বে বার্ষিক নিউ ক্রপ সেমিনার পরিচালনা করে, যেখানে বাংলাদেশী মিল মালিক, বেকারী উৎপাদনকারী এবং গম আমদানিকারকরা কানাডার ২০২৫ সালের গম ফসলের মান, বৈশিষ্ট্য এবং গ্রেডিং মান সহ তথ্য সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন।
কারিগরি অধিবেশনগুলোর লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও মিল খাতের মধ্যে ক্রয় সিদ্ধান্ত সমর্থন করা।
কানাডিয়ান মিশন জানিয়েছে, "উচ্চমানের গমের জন্য বাংলাদেশ কানাডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি গন্তব্য এবং কানাডিয়ান গম নির্ভরযোগ্যতা ও উচ্চ মানের জন্য বাংলাদেশী মিলারদের কাছে মূল্যবান বলে বিবেচিত।
হাই কমিশন আরও বলেছে যে, কানাডিয়ান গমের মান বিশ্ব-নেতৃস্থানীয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা, স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রক তদারকি এবং উৎপাদন থেকে চালান পর্যন্ত কঠোর মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা দ্বারা সমর্থিত।
কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা খাতে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব রয়েছে যা গম বাণিজ্যে চলমান সহযোগিতার মাধ্যমে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশের খাদ্য শিল্পের প্রসার অব্যাহত থাকায়, কানাডা উচ্চমানের গম সরবরাহ, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে নির্ভরযোগ্য অংশীদার থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এলএইস/