রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ।। ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
তামাকের প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর ৭ দিনের ঈদ ছুটি শেষে আগামীকাল খুলছে অফিস-আদালত বাইক চালককে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা খাদে উল্টে প্রাণ গেল যাত্রীর হরমুজে জাহাজ চলাচলে ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি ‎‎গফরগাঁওয়ে ইমামের ওপর হামলার প্রতিবাদে নাগরিক বিক্ষোভ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তিন দিনে সাভার ট্যানারিতে ঢুকল ৫ লাখের বেশি চামড়া হাজিদের সেবায় ‘মন্ত্রী’ হিসেবে নয় ‘খাদেম’ হিসেবে কাজ করেছি: ধর্মমন্ত্রী আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘ঘাতকরা জিয়াউর রহমানকে হত্যা না করলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো’  নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা-ভাঙচুর 

চাহিদার তুলনায় মাত্র ১০% ত্রাণ যাচ্ছে গাজায়


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় মানুষের প্রয়োজন মেটাতে চাহিদার তুলনায় মাত্র ১০ শতাংশ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে, যার ফলে অনাহারজনিত মৃত্যুতে সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ পর্যন্ত ১০৭ জন শিশুসহ মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ২৪০-এ।

ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানিয়েছেন, প্রতিদিন অন্তত ১,০০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে সেখানে প্রতিদিন মাত্র প্রায় ১০০টি ট্রাক প্রবেশ করছে, এবং এদের অধিকাংশই বাণিজ্যিক ব্যবসায়ীদের কাছে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃত মানবিক চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

ত্রাণ প্রবাহের এই কঠোর সীমাবদ্ধতা ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার ফলে হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞায় খাদ্য, ত্রাণ, চিকিৎসা সহায়তা, পণ্য ও জ্বালানি প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যা গাজার মানবিক পরিস্থিতিকে মারাত্মকভাবে অবনতি করেছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। এ সময়ে দুই লাখ নয় হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি হত্যা বা আহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু ও নারী। এছাড়াও নয় হাজারেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা, মিডল ইস্ট মনিটর

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ