শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা সাগরে নিখোঁজের একদিন পর মিলল মাদরাসাছাত্র আরিফের লাশ আগামীকাল অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন বেসরকারি শিক্ষকরা

ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ইরানের জনগণ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত

ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ইরানের জনগণ। শুক্রবার (২০ জুন) পবিত্র জুমার নামাজ শেষে ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। তারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের রাস্তায় ইরানিরা তাদের শীর্ষনেতাদের সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছেন। কিছু বিক্ষোভকারীকে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের হুমকির বিরুদ্ধেও স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

সেই ভিডিও প্রচারের সময় সংবাদ উপস্থাপক বলেন, ‘আজ শুক্রবার গোটা দেশের ঐক্য ও প্রতিরোধের প্রতীক।
  
বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা ১৩ জুন ইসরায়েলের হামলার পর নিহত কমান্ডারদের ছবি বহন করছেন। অনেকে ইরান, ফিলিস্তিন ও হিজবুল্লাহর পতাকা ওড়াচ্ছেন।

এক বিক্ষোভকারীর ব্যানারে লেখা ছিল — ‘আমি আমার নেতার (সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি) জন্য জীবন উৎসর্গ করব’।  
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আরও জানিয়েছে, শুধু তেহরানে নয়; উত্তর-পশ্চিম ইরানের তাবরিজ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শিরাজেও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তেহরান পরমাণু অস্ত্র বানানোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন অজুহাতে ইসরায়েল গত ১৩ জুন বিনা উসকানিতে ইরানে হামলা চালায়। তারা ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং সাধারণ নাগরিককে হত্যা করে। হামলায় ইরানের পারমাণবিক, সামরিক এবং আবাসিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইরানের সামরিক বাহিনী এ হামলার পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে। এতে চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে ইসরায়েল। দেশটিও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। এর আগে কখনো দখলদার ইসরায়েল এতো বড় ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েনি।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ