সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক ‘২০ জুন থেকে ‘ঢাকা–নারিতা–ঢাকা’ রুটে বিমানের টিকিট বিক্রি শুরু হবে’ 

 ইসরায়েলকে যে হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ইরান ও পাকিস্তানের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল যদি ইরানের ওপর পরমাণু হামলা চালায়, তাহলে পাকিস্তানও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পারমাণবিক প্রতিক্রিয়া দেখাবে—এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানি রেভোলিউশনারি গার্ডের শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল মোহসেন রেজায়ি। এই বক্তব্যে ব্যাপক আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

জেনারেল রেজায়ি বলেন, “পাকিস্তান আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, যদি ইসরায়েল ইরানে পরমাণু বোমা ফেলে, তাহলে তারা ইসরায়েলের ওপর পারমাণবিক হামলা চালাবে।”

তিনি আরও জানান, পাকিস্তান ইরানের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের শুরুতে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অনেকটাই ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেনারেল রেজায়ি আরও দাবি করেন, ইরানের কাছে কিছু "গোপন সামরিক ক্ষমতা" রয়েছে, যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য আসেনি। তবুও, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানকে সমর্থনের বার্তা পাকিস্তান দিয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবলিশ নিউক্লিয়ার উইপনস অনুসারে, ইসরায়েল ও পাকিস্তান বিশ্বের ৯টি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে রয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরনের হুঁশিয়ারি কতটা বাস্তবসম্মত তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ এই সংকটে যুক্ত হয়েছে আরও অনেক দেশ, এবং এসব বক্তব্য অনেক সময় কূটনৈতিক সমর্থনের অংশ হিসেবেই দেখা হয়, সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে নয়।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণ করে, তাহলে আমরা এমন সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখাবো, যা আগে কেউ কখনো দেখেনি।”

এদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, “ইসরায়েলের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা নিয়ে পশ্চিমাদের চিন্তা করা উচিত। তারা যেভাবে ইসরায়েলকে সমর্থন করছে, তাতে শুধু এই অঞ্চল নয়, পুরো বিশ্বের জন্যও ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল একটি ‘দাঙ্গাবাজ রাষ্ট্র’, যার আগ্রাসী নীতিই গোটা অঞ্চলকে আগুনে পুড়িয়ে ফেলতে পারে।”

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ