মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক ‘২০ জুন থেকে ‘ঢাকা–নারিতা–ঢাকা’ রুটে বিমানের টিকিট বিক্রি শুরু হবে’ 

আগামী ২৫ বছর হজে থাকবে না গরমের ভোগান্তি!


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

গত কয়েক বছর ধরে তীব্র গরমের সময় হজ পালিত হয়। গত বছর হজের সময় গরমজনিত কারণে প্রায় দেড় হাজার লোক মারা যায়। তবে এবার সৌদি সরকারের কড়া বিধিনিষেধ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার কারণে কেউ মারা যায়নি। এর মধ্যেই সুখবর হলো, এবারই গরমের মৌসুমে শেষ হজ পালিত হয়েছে। আগামী বছর থেকে গরমের তীব্রতা থাকবে না হজের সময়।

সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের হজ ছিল শেষ গ্রীষ্মকালীন হজ। এরপর টানা ২৫ বছর হজ অনুষ্ঠিত হবে ঠান্ডা বা তুলনামূলক আরামদায়ক মৌসুমে।

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ২০৫০ সাল পর্যন্ত হিজরি বর্ষপঞ্জিভিত্তিক হজের পূর্ণ সূচি প্রকাশ করেছে। এতে হিজরি ও গ্রেগরিয়ান উভয় ক্যালেন্ডার অনুসারে তারিখ উল্লেখ রয়েছে। হিজরি ক্যালেন্ডার প্রতিবছর গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির তুলনায় প্রায় ১১ দিন এগিয়ে আসে। ফলে সময়ের ব্যবধানে হজের সময়ও মৌসুম পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়।

সৌদি আবহাওয়া কেন্দ্রের মুখপাত্র হুসেইন আল-কাতানি জানিয়েছেন, ‘আগামী আট বছর হজ পড়বে বসন্তে, তারপর আট বছর শীতে এবং পরবর্তী আট বছর শরতে। ২০৫০ সালে আবার গ্রীষ্মকালীন হজ ফিরে আসবে।’

২০২৬ সাল থেকে শুরু করে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত হজ পড়বে বসন্তকালে, অর্থাৎ সাধারণত মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে। এরপর ২০৩৪ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত হজ অনুষ্ঠিত হবে শীতকালে—যা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এরপর ২০৪২ থেকে ২০৪৯ সাল পর্যন্ত হজ হবে শরৎকালে, অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে। সবশেষে, ২০৫০ সালে হজ আবার গ্রীষ্মকালে ফিরে আসবে, এবং তা অনুষ্ঠিত হবে আগস্ট মাসে।

এনসিএম এর ভাষ্যমতে, ২০২৫ সালের হজ অনুষ্ঠানের সময় আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত গরম। এই গরমকালীন পরিস্থিতি এবারই শেষ হচ্ছে। এরপর থেকে হজযাত্রীরা ঠান্ডা ও সহনীয় আবহাওয়ায় হজ পালনের সুযোগ পাবেন, যা উমর বৃদ্ধ, অসুস্থ বা দুর্বল মুসলিমদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।

হিজরি বর্ষপঞ্জি চাঁদের গতিপথ অনুযায়ী চলে। তাই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের তুলনায় হিজরি বছর প্রায় ১১ দিন ছোট। এই সময়চক্র অনুযায়ী প্রতি বছর হজ কিছুটা এগিয়ে আসে। এতে ৩০–৩৫ বছরের ব্যবধানে হজ মৌসুম গ্রীষ্ম থেকে শীত হয়ে আবার গ্রীষ্মে ফিরে আসে।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ