শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

ইসরায়েলের বন্ধু, তবুও সৌদিতে করতালিতে ভাসলেন ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের রাজকীয় বলরুম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, আমেরিকা আর জাতি গঠনে বা অন্য দেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপ করবে না। “আপনাদের কীভাবে জীবনযাপন করবেন, সেই লেকচার দেয়া শেষ”—এই বক্তব্যে তার সৌদি শ্রোতারা করতালিতে ফেটে পড়ে।

তিনি বলেন, “দেশ গড়ার নামে অনেক দেশ ধ্বংস হয়েছে,” আর “আমেরিকান হস্তক্ষেপকারীরা এমন সমাজে হস্তক্ষেপ করেছে, যা তারা বোঝেইনি।” মধ্যপ্রাচ্যের মানুষকে নিজের ভাগ্য নিজেরাই গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।


মার্কিন আগ্রাসন, গাজায় ইসরায়েলকে সমর্থন ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিরক্ত জনগণ ট্রাম্পের বক্তব্যকে স্বাগত জানায়। ইয়েমেন, সিরিয়া, সৌদি আরবসহ বহু দেশে এই বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাকে ফরাসি ঔপনিবেশিক চিন্তাবিদ ফ্যাননের সঙ্গেও তুলনা করেন।

তবে ট্রাম্পের এই ‘সক্ষমতা প্রদর্শন’ নিয়ে মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বিগ্ন। সৌদিতে আটক এক মার্কিন নাগরিকের ছেলে বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসন আমার বাবার বিষয়টি স্বাভাবিক করে তুলছে, যা মোটেই স্বাভাবিক নয়।”

মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ এড়িয়ে ট্রাম্প সৌদি ক্রাউন প্রিন্সকে “অসাধারণ মানুষ” বলে প্রশংসা করেন। মার্কিন স্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে স্পষ্ট করে বলেন, “অতীতের অনেক প্রেসিডেন্ট বিদেশি নেতাদের আত্মা বিশ্লেষণ করে তাদের বিচার করতে গিয়ে ভুল করেছে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প নতুন ধরনের ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী কূটনীতি উপস্থাপন করেছেন, যা বামপন্থিদের উপনিবেশ-বিরোধী কথাবার্তাও ধার করে। তবে অনেকেই মনে করছেন, মানবাধিকার নয়, এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল ব্যবসা ও বিনিয়োগ। তিনটি উপসাগরীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ