বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বেতন ও কর্মদিবস কমাল পাকিস্তান আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলায় বিশ্ব শান্তি হুমকির মুখে’ যে কারণে কওমি মাদরাসা আপনার জাকাত ও দানের বেশি হকদার যুব সংগঠক আমিনুল ইসলাম সাদীকে জাতীয় পদকে ভূষিত করার দাবি ‘নিরাপদ অভিবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আলেমরা’ নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য ‘দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো একটি ফ্যাসিবাদী প্রবণতা’

অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হবে: অমিত শাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় যেসব বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা অবৈধভাবে বসবাস করছেন, তাদেরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লি পুলিশকে এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে দিল্লি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত। সেখানে উপস্থিত ছিলেন— এমন একজন কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে বলেন, বৈঠকে রাজধানী নয়াদিল্লি সহ দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে জানতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।  

এনডিটিভিকে ওই কর্মকর্তা বলেন, “আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি, দিল্লির যেসব কলোনিতে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা বসবাস করেন, সেগুলো নিরীক্ষা করা হচ্ছে। যারা ভুয়া নথিপত্র কিংবা কোনো নথি ছাড়াই বসবাস করছেন, তাদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।”

‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হালনাগাদ তথ্য জানানোর পর তিনি বলেছেন, অবৈধ অভিবাসী ও অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। এ ব্যাপারে আমাদের সবার কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অবৈধ অভিবাসীদের অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব শনাক্ত করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।’

যাদের সহযোগিতা এবং আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এই নথিবিহীন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা দিল্লিতে বসবাস করছেন, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, “এটা একটা বড় নেটওয়ার্ক। যে কোনো মূল্যে এই নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে হবে, অপরাধীদের আইনের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং এজন্য অভিযানে যতখানি কঠোরতা আনা প্রয়োজন— আনতে হবে।”

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ