রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় আমানাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ভারতের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু  ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইমামুল হিন্দের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস অন্যায়: মাওলানা আরশাদ মাদানী ‘আল-মুঈন ত্রাণ তহবিলে’ উদারহস্তে সহযোগিতার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের

শাইখুল ইসলামের চলে যাওয়ার ৩ বছর


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.-এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গত ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আজকের এই দিনেই (শুক্রবার) সন্ধ্যার আগ মুহুর্তে রাজধানী ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তার ইন্তেকালে শোক নেমে এসেছিল পুরো দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ,-একই সঙ্গে ছিলেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ ও আল হাইয়াতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান। তিনি দীর্ঘ ৩৪ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন জামিয়া আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালকের পদে।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার পাখিয়ারটিলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম ও ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায় পড়াশোনা করেন।

হাটহাজারী মাদরাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে শুরু হয় আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.-এর কর্মজীবন। ১৯৮৬ সালে তিনি হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক পদে যোগ দেন। এরপর থেকে টানা ৩৪ বছর ধরে সুনামের সাথে তিনি ওই পদে ছিলেন।

আল্লামা আহমদ শফী রহ.- এর নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্র্স (আরবি-ইসলামিক স্টাডিজ)-এর সমমান ঘোষণা করেন।

১৯ আগস্ট ২০০১ সালে ওমরা পালনকালে হারামাইন শরিফাইনের মহাপরিচালক শায়খ সালেহ বিন আল হুমাইদ পবিত্র কাবার গিলাফের একটি অংশ উপহার প্রদান করেন।

২০০৫ সালে জাতীয় সিরাত কমিটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাঁকে ‘শ্রেষ্ঠ ইসলামী ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে সম্মাননা ও স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। এ ছাড়া দেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন তাঁকে নানা সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত করেছে।

স্ত্রী ফিরোজা বেগমের সঙ্গে পারিবারিক জীবন গড়েন আল্লামা আহমদ শফী। দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জনক তিনি। বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ পাখিয়ারটিলার মাদরাসার পরিচালক। ছোট ছেলে মাওলানা আনাস হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক। মেয়েদের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে পাত্রস্থ করেছেন।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ