সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

হযরত খাযির (আ.) বলাই সহিহ: মুফতি আবদুল মালেক


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রখ্যাত ফকীহ ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক এক বিশেষ বার্তায় হযরত খাযির (আলাইহিস সালাম) সম্পর্কে দেওয়া তাঁর পূর্বের একটি বক্তব্য সংশোধন করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘হযরত খাযির (আলাইহিস সালাম)’ বলাই সঠিক ও সহিহ। কারণ, অধিকাংশ মুহাক্কিক আলেমের মতে তিনি আল্লাহর একজন নবী ছিলেন।

সম্প্রতি এক মজলিসে শাহ ওয়ালিউল্লাহ (রহ.)-এর প্রসঙ্গ আলোচনা করতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘আলাইহিস সালাম’ না বলে ‘রাযিয়াল্লাহু আনহু’ বলা উচিত। তবে পরবর্তীতে বিষয়টি পর্যালোচনা করে তিনি ওই মন্তব্যকে নিজের অনিচ্ছাকৃত ভুল (যুহুল) হিসেবে উল্লেখ করেন এবং তা প্রকাশ্যে সংশোধন করেন।

এক বার্তায় মাওলানা আবদুল মালেক বলেন, হযরত খাযির (আ.)-কে ‘আলাইহিস সালাম’ বলাই সহিহ। এ বিষয়ে হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) ফাতহুল বারী গ্রন্থে সহিহ বুখারির ১২২ নম্বর হাদিসের ব্যাখ্যায় এবং আল-ইসাবা ফি তাময়ীযিস সাহাবা গ্রন্থে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন দলিলের আলোকে দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছেন যে, হযরত খাযির (আ.) আল্লাহর একজন নবী ছিলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, উপমহাদেশের আকাবির আলেমদের মধ্যেও একই মত পাওয়া যায়। মুফতি মুহাম্মদ শফী (রহ.) তাঁর মাআরিফুল কুরআন-এ এবং মাওলানা হিফযুর রহমান (রহ.) কাসাসুল কুরআন (প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৭৫)-এ এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এছাড়া শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যা (রহ.)-এর মাজমুউল ফাতাওয়াসহ আরও বহু নির্ভরযোগ্য গ্রন্থে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে।

নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে মাওলানা আব্দুল মালিক বলেন, ‘আমার ওই বক্তব্যটি সঠিক ছিল না। আমি মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যারা আমার সেই বক্তব্য শুনেছেন, তারা যেন এই সংশোধনীও জেনে রাখেন।’

তিনি আরও বলেন, এটি তাঁর মতগত পরিবর্তন নয়; বরং সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত অসাবধানতাজনিত একটি ভুল। কারণ, এ বিষয়ে সঠিক তথ্য ও প্রামাণ্য সূত্র তিনি বহু বছর আগে থেকেই নিজের নোটে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন। হঠাৎ একটি অনিচ্ছাকৃত বিভ্রান্তির কারণে ওই মন্তব্যটি তাঁর মুখ থেকে বের হয়ে যায়।

বার্তার শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং বলেন, আল্লাহ তাআলা যেন তাঁর এ অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি ক্ষমা করে দেন। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিষয়টি সঠিকভাবে অবগত থাকার আহ্বান জানান।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ