মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’  ২১০ মাদরাসা পরিচালককে নিয়ে আস-সুন্নাহর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন মহানবী (সা.)-এর আদর্শে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আসুন, খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন সফল করি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

||আল আমিন বিন সাবের আলী||

একজন মুসলমানের জন্য ‘খতমে নবুওয়তের আকিদা’ পোষণ করা তার ঈমানের অংশ। পেয়ারা নবী হজরত মুহাম্মদ সা. বলেন, 'নবীদের মধ্যে আমিই হলাম সর্বশেষ নবী, আমার পর আর কোনো নবী নেই' -সুনানে তিরমিজি, ২২১৯। অর্থাৎ আমাদের নবীজি সা.ই আল্লাহ তায়ালার শেষ নবী ও রাসুল। তারপর আর কোনো নবী, রাসুল বা অহিপ্রাপ্ত কেউ আসেনি এবং কেয়ামত পর্যন্ত কেউ আসবে না। এই আকিদা কুরআন, হাদিস, ইজমা ও উম্মাহর সর্বসম্মত বিশ্বাস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং কেউ এই আকিদার পরিবর্তে ভিন্ন কোনো আকিদা পোষণ করলে তার ঈমান থাকবে না এবং তাকে মুসলমান বলা যাবে না। বর্তমানে কাদিয়ানি সম্প্রদায় যেহেতু গোলাম আহমদ কাদিয়ানিকে নবী বলে বিশ্বাস করে, তাই তারা কাফের বেঈমান ও অমুসলিম।

সকল মুসলমানের উচিত ‘খতমে নবুওয়তে’র এই ঈমানি অবস্থান দৃঢ় রেখে তাদের সর্বরকম বিভ্রান্তির ব্যাপারে সতর্ক থাকা এবং ইসলামের মূল আকিদা সংরক্ষণে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। আর জাতীয়ভাবে এ ধরনের গুরুতর আকিদার বিষয়গুলো আইন ও সংবিধান অনুযায়ী যথাযথ স্বচ্ছ ও নীতি-নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পর্যালোচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট ধর্ম বিষয়ক প্রতিষ্ঠান, আইনজ্ঞ ও আলেমদের নিয়ে একটি স্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক কমিটি গঠনসহ কাদিয়ানিদেরকে অমুসলিম ঘোষণার ব্যাপারে সোচ্চার হতে হবে সকলকে।

পৃথিবীর ৪২টি দেশ যদি ইতোমধ্যে তাদেরকে অমুসলিম ঘোষণা করতে পারে, আমরা (বাংলাদেশ) কেন পারবো না? তাদেরকে কতল বা দেশান্তরের প্রয়োজন নেই, বরং তারাও এদেশে অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মতো বসবাস করুক। তবে নিজেদের পরিচয়ে ইসলামি ও মুসলমানি পরিভাষা ব্যবহার যেন না করে এবং মুসলিম পরিচয় দিয়ে যেন কোনো সরলমনা মুসলমানকে ধোঁকায় ফেলতে না পারে সেজন্য সরকারিভাবে তাদের ব্যাপারে স্পষ্ট ‘কাফের’ ঘোষণা দেওয়ার বিকল্প নেই।

তাই চলুন, দেশের সকল দ্বীনদার-ঈমানদার জনগণ ও আলেম সমাজ একসঙ্গে মিলে আগামীকাল ১৫ নভেম্বর ‘আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন ২০২৫’-এর ঐতিহাসিক ও শানদার আয়োজনে পূর্ণ সমর্থন ও ঐক্য ঘোষণা করি। ১৫ নভেম্বর শনিবারের বিশ্ববরেণ্য উলামা মাশায়েখের মহাসম্মেলন সফল করি। এবং কাদিয়ানিদেরকে অমুসলিম ঘোষণায় ঐকমত্য প্রকাশ করি। সরকারের তরফ হতেও এ স্বীকৃতি আদায় করে নিই, নিতে হবে। অবশেষে বজ্রকণ্ঠে এক ও অভিন্ন আওয়াজ উঠাই..

সংসদে আইন চাই,

নবীর পরে নবী নাই।

কাদিয়ানি কাদিয়ানি,

কাফের কাফের।

অমুসলিম অমুসলিম,

কাদিয়ানি কাদিয়ানি।

আহমদিয়া মুসলিম জামাত,

বেঈমান বেঈমান।

ইসলামের মুখোশ পরে,

ভণ্ডামি চলবে না।

 লেখক: সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরাম

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ