মুফতি আরিফুল ইসলাম
প্রিয় নবীজির সা. বয়স ৪০ বছর।এ সময়ে নির্জনতা খুব পছন্দ করতেন। সব সম্পর্ক ছিন্ন করে রাসূল সা. ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। লোকালয় থেকে বেরিয়ে উচূ পাহাড় হেরা পর্বতে । প্রায় ১০০০ ফুট উর্চূঁ পর্বত । এত উচূঁ পর্বতে ওঠা সত্যিই বিশ্ময়কর । বর্তমান হেরা পর্বতে তো উপরে ওঠতে একটি পথ তৈরী হয়েছে। তৎসময় পর্বতের চিত্র এমন ছিল না। চারদিকে পাথরে বেষ্ঠিত কন্টকাকীর্ণ পথ। সেই দুর্গম পথ বেয়ে গুহায় ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। গুহাটি এতই সংকীর্ণ যাতে একজন মানুষই ইবাদত করতে পারবে। সামান্য পানি আর ছাতুই ছিল হুজুর সা.-এর ক্ষুধা নিবারণ খাদ্য।
মাঝে মাঝে আল্লহার রাসূল সা. স্বপ্ন দেখতেন। নবীজির স্বপ্ন সবই সত্য হত। রাতে যা দেখতেন দিনে তা-ই বাস্তবায়িত হত। একবার হযরত জীবরাঈল আ. ওহী নিয়ে আগমন করেন। হুজুর সা. -কে বললেন, পড়ুন, নবীজি সা. বললেন আমি পড়তে জানিনা। জীবরাঈল আ. হুজুর সা. –কে নিজের বুকের সাথে মিরিয় পুরো শ্ক্তীবলে চাপ দেন। বলেন এবার পড়ুন। হুজুর সা. বললেন আমি পড়তে জানি না। দ্বিতীয়বার একইভাবে চাপ দেন। হুজুর সা. বলেন আমি পড়তে জানি না। তৃতীয়বারও জীবরাঈল আ. নিজের পুরো শক্তি বলে চাপ দেন। এবার নবীজি সা. পড়তে শুরু করেন। সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত দিয়ে ওহীর ধারা শুরু হয় ।
ওহীর ভারে হুজুর সা. এর শরীরে কম্পন সৃষ্টি হয়। কাঁপতে কাঁপতে আম্মাজান খাদীজা রা. এর কাছে ছুটে আসেন।বলেন-আমার শরীরে কাপড় জড়িয়ে দাও। স্বাভাবিক হয়ে আম্মাজান খাদীজা রা. এর কাছে ঘটনার বৃত্তান্ত বর্ণনা করেন। আমার জানের আশংকা করছি।রাসূলের প্রতি বিশ্বস্ত খাদীজা রা. হুজুর সা.-এর মনে সাহস জোগান। কীসà§
