সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

তালাকের নিয়ত ছাড়া ‘তোরে আমি ছেড়ে দিয়েছি’ বললে কি তালাক হবে?


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: ইন্টারনেট

কোন স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে কথা কাটাকাটির সময় ‘তোরে আমি ছেড়ে দিয়েছি’। স্ত্রী বলেছে: কী বললেন? তারপর স্বামী বলেছে “ তোমাকে আমি আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দিয়েছি, তুমি যা খুশি তা কর, তোমাকে স্বাধীনতা দিয়েছি”।

এখানে কোন তালাকের তালাকের নিয়ত ছিল না। একজন বলছে ‘তালাক হয়ে গেছে’ নিয়ত করতে হবে না। আরেকজন বলেছে ‘নিয়ত ছাড়া তালাক হবে না’।

হযরত এটা নিয়ে খুব টেনশনে আছি যদি মশলাটা একটু বলতেন।

উত্তর-

‘ছেড়ে দিয়েছি’ শব্দটি বাংলাদেশে স্ত্রীর ক্ষেত্রে তালাকের জন্য ‘ছরীহ’ তথা স্পষ্ট শব্দ। এ শব্দে তালাক দেয়া আর তালাক শব্দে তালাক দেয়া একই কথা।

আর ছরীহ তালাকের ক্ষেত্রে নিয়ত থাকা বা না থাকার কোন ধর্তব্যতা নেই। সর্বাবস্থায়ই তা স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বললে তালাক হিসেবে পরিগণিত হয়।

আর কথা কাটাকাটির সময় বলার দ্বারা একথা প্রমাণ করে যে, তালাক উদ্দেশ্যেই কথাটি বলা হয়েছে এটা অস্বিকার করার কোন সুযোগ নেই।

সুতরাং ‘তোরে আমি ছেড়ে দিয়েছি’ বলার দ্বারা এবং দ্বিতীয়বার স্ত্রীর জিজ্ঞাসার জবাবে আবার ‘আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দিয়েছি’ বলার দ্বারা স্ত্রীর উপর দুই তালাকে রেজয়ী পতিত হয়ে গেছে।

তালাকের নিয়ত ছাড়া ‘তুমি যা খুশি তা কর, তোমাকে স্বাধীনতা দিয়েছি’ বলার দ্বারা কোন তালাক পতিত হয়নি।

সুতরাং স্ত্রীকে এখন মৌখিক বা শারীরিকভাবে স্ত্রীসূলভ আচরণ দ্বারা ফিরিয়ে আনতে পারবে।

তবে মনে রাখতে হবে, স্বামী আর এক তালাকের মালিক থাকবে। যদি ভবিষ্যতে আর এক তালাকও প্রদান করে থাকে, তাহলে উক্ত স্ত্রী তার উপর হারাম হয়ে যাবে।

আমাদের পরামর্শ

কিছু হলেই তালাক দেয়া, ছেড়ে দেবার কথা বলা এটা শোভনীয় নয়। কোন ভদ্র স্বামীর জন্য এমন আচরণ কোনভাবেই কাম্য নয়। তাই ভবিষ্যতে এহেন আচরণ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা জরুরী। সূত্র: আহলে হক মিডিয়া

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ