শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচার রুখতে আঞ্চলিকভাবে আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ লাখো মানুষের শ্রদ্ধা শেষে জন্মস্থানে শায়িত খামেনি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রবীণ নেতা মাওলানা ফজরুদ্দীন গঙ্গওয়ানীর ইন্তেকাল বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুর্ভোগ: জাপান গার্ডেন সিটি পরিদর্শনে আমিরে মজলিস আমাদের পীর শায়েখ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী রহ.-এর স্মৃতি বাদ জুমা রাজধানীতে ইসলামী আন্দোলনের গণমিছিল বাদশার অতিথি হিসেবে ২৫০ ওমরাহযাত্রীকে স্বাগত জানাল সৌদি আরব হাফেজিয়া বোর্ড গঠন ইস্যুতে হাইআতুল উলয়াকে সমর্থন মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা ১৪ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, টানা বর্ষণের আভাস

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রবীণ নেতা মাওলানা ফজরুদ্দীন গঙ্গওয়ানীর ইন্তেকাল


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের মেওয়াত অঞ্চলের বিশিষ্ট আলেম, রায়পুর সিলসিলার অন্যতম প্রবীণ বুজুর্গ, তাহরিকে ওয়ালিউল্লাহি আন্দোলনের সক্রিয় পৃষ্ঠপোষক এবং জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের জ্যেষ্ঠ নেতা মাওলানা ফজরুদ্দীন গঙ্গওয়ানী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর তিনি আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার ইন্তেকালের খবরে মেওয়াতসহ ভারতের বিভিন্ন অঙ্গনের আলেম-উলামা, মাদরাসা, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের নেতাকর্মী, ছাত্র, শুভানুধ্যায়ী ও অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মাওলানা ফজরুদ্দীন গঙ্গওয়ানী (রহ.) মেওয়াতের অন্যতম শ্রদ্ধেয় আলেম হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি সারাজীবন ইসলামের খেদমত, কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষা ও দাওয়াত, সমাজ সংস্কার, সাধারণ মানুষের দ্বীনি দিকনির্দেশনা এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার, বিনয়ী, সদালাপী ও অমায়িক স্বভাবের মানুষ। ইখলাস, তাকওয়া, নম্রতা এবং উত্তম চরিত্র ছিল তার ব্যক্তিত্বের উজ্জ্বল বৈশিষ্ট্য। তিনি দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার, মাদরাসাগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা, সমাজ সংস্কার, মুসলিম ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং মানবকল্যাণমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সামাজিক অঙ্গনেও তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহযোগিতা, সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তি এবং মানুষকে সৎকাজ ও কল্যাণের পথে আহ্বান জানানো ছিল তার জীবনের নিয়মিত কর্মধারা।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সঙ্গেও তার দীর্ঘ কর্মজীবন জড়িত ছিল। তিনি দীর্ঘ সময় সংগঠনটির খাদিম সভাপতি (খাদিমে সদর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সংগঠনের ঐক্য, শান্তি, সম্প্রীতি ও জাতীয় সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নিষ্ঠা জমিয়তের কর্মীদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

তার ইন্তেকালে ভারতের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ