বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
তরুণ আলেমদের বিশেষ মিটআপে শায়খ ইলিয়াস গুম্মান তিন মাসে ওমরাহ পালন করেছেন দেড় কোটির বেশি মানুষ বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’

মহারাষ্ট্রের নতুন আইনে আপত্তি মাওলানা মাহমুদ মাদানীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের মহারাষ্ট্রে নতুন ‘মহারাষ্ট্র ফ্রিডম অব রিলিজিয়ন অ্যাক্ট ২০২৬’ কার্যকর হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ আসাদ মাদানী। তার অভিযোগ, আইনের কয়েকটি ধারা নাগরিকের বিবেকের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে মাওলানা মাহমুদ মাদানি বলেন, ভারতের সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিককে নিজের ধর্ম পালন ও প্রচারের স্বাধীনতা দিয়েছে। কিন্তু ধর্ম পরিবর্তনের আগে নোটিশ দেওয়া, পুলিশের তদন্ত এবং ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের মতো শর্ত নাগরিকের ব্যক্তিগত জীবন ও ধর্মীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, জোরপূর্বক, প্রতারণা, প্রলোভন, ভুল তথ্য বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে ধর্মান্তরকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ সমর্থন করে না। তবে ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার নামে এমন কোনো আইন প্রণয়ন করা উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত সেই স্বাধীনতাকেই সীমিত করার হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জবরদস্তি, প্রতারণা, প্রলোভন, ভুল উপস্থাপন বা অন্য কোনো বেআইনি পদ্ধতিতে ধর্মান্তর ঠেকানোই নতুন আইনের মূল উদ্দেশ্য। এ ধরনের ঘটনায় কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে আইনে। তবে মাওলানা মাদানী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আইনের কিছু বিধান ভুলভাবে প্রয়োগ করা হলে তা নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে ধর্ম পরিবর্তনের মতো ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি আদালত ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনটির শুধু ঘোষিত উদ্দেশ্য বিবেচনা করলেই হবে না; এর আইনি কাঠামো, সম্ভাব্য অপব্যবহার এবং নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতার ওপর এর প্রভাবও গভীরভাবে পর্যালোচনা করতে হবে। মাওলানা মাদানীর ভাষায়, ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার সুরক্ষার নামে এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় স্বাধীনতাকেই হুমকির মুখে ফেলে।’

সূত্র: ইউএনএ নিউজ

টিএইচএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ