শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

২১৫ বছরের প্রাচীন গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাইজেরিয়ার কোয়ারা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ইলোরিনে পুনরায় উদ্বোধন করা হয়েছে ঐতিহাসিক গাম্বারি মসজিদ—যা প্রায় ২১৫ বছর আগে, ১৮০৮ সালে নির্মিত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

ব্যাপক সংস্কার ও সম্প্রসারণ শেষে মসজিদটিতে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক গ্রন্থাগার এবং নামাজিদের চাপ সামলাতে বাড়ানো হয়েছে স্থাপনার পরিসর। তবে পুরো প্রকল্পজুড়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মূল স্থাপত্য ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে—যেখানে অতীতের রূপ ও আধুনিক সুবিধা মিলেছে সমন্বিতভাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়ারা ও বোর্নো অঙ্গরাজ্যের গভর্নর, ইলোরিনের প্রতিনিধিরা এবং কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তামন্ত্রীসহ বহু ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুনর্গঠন কমিটির চেয়ারম্যান ইদ্রিস আবদুল্লাহ হারুন বলেন, “নতুন গাম্বারি মসজিদ শুধু একটি সংস্কার নয়; এটি আমাদের ঐক্য, ঈমান ও জ্ঞানের আলো বহন করে।” তিনি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও ঐতিহ্য রক্ষার ভূমিকা স্মরণ করেন।

ইতিহাসবিদদের মতে, গাম্বারি পরিবার দুই শতাব্দীরও বেশি সময় আগে মসজিদটি নির্মাণ করে; তাদের বংশধরেরা এখনও এর রক্ষণাবেক্ষণে যুক্ত। ২০১৮ সালে সরকারি অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়, যাতে স্থানীয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

ইলোরিনের ইমাম শাইখ মুহাম্মদ বাশির সালিহুর বক্তব্যে কোয়ারা–বোর্নো অঙ্গরাজ্যের দীর্ঘকালীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উঠে আসে। আয়োজকদের মতে, গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন কেবল একটি ঐতিহাসিক স্থাপনার পুনর্জাগরণ নয়—এটি স্থানীয় সমাজে ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ