শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

ইরানে ভয়াবহ খরা, তীব্র পানি সংকটের আশঙ্কা তেহরানে 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরানের দেখা দিয়েছে দীর্ঘ ভয়াবহ খরা। যারফলে রাজধানী তেহরানের বাসিন্দাদের জন্য খাওয়ার পানির প্রধান উৎসগুলো দুই সপ্তাহের মধ্যে শুকিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

রোববার বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, তেহরানের জন্য খাওয়ার পানি সরবরাহকারী পাঁচটির মধ্যে একটি আমির কবির বাঁধে মাত্র ১৪ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি রয়েছে, যা এর ধারণক্ষমতার মাত্র আট শতাংশ।’

তেহরানের পানি কর্তৃপক্ষের পরিচালক বেহজাদ পারসা জানান, মাত্র দুই সপ্তাহ এই পানি দিয়ে তেহরানের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

মাদুরোর সময় ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিমাদুরোর সময় ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান বর্তমানে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরার মুখোমুখি। গত মাসে এক স্থানীয় কর্মকর্তা বলেছিলেন, তেহরান প্রদেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় এক শতাব্দীতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

আলবোরজ পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালে অবস্থিত তেহরান শহরটিতে ১ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করেন। এসব পর্বত থেকেই নদী বয়ে এসে শহরের একাধিক জলাধারে পানি যোগায়।

গত বছর এই আমির কবির ড্যামেই ৮ কোটি ৬০ লাখ ঘনমিটার পানি ছিল। কিন্তু এ বছর তেহরান অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ‘সম্পূর্ণভাবে বন্ধ’ হয়ে গেছে বলে জানান পারসা। তিনি অবশ্য অন্য জলাধারগুলোর অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ