শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’ দলীয়করণ ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে ঐকমত্যের আহ্বান নেজামে ইসলাম পার্টির সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ধর্মমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি পরীক্ষা ছাড়া বেফাকের আর কাজ কী? কাল থেকে জিপিএস ছাড়া চলবে না গণপরিবহন

ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেব না: ট্রাম্প


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর দখল করতে দেব না। এছাড়া গাজা নিয়ে শিগগিরই সমঝোতা হতে পারে বলেও জানান তিনি। 

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার এই ভাষণের আগে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেব না। এটা কোনোভাবেই ঘটতে দেওয়া যাবে না।’

বিবিসি জানায়, আগামী সোমবার নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন গাজা নিয়ে একটি ভালো সমঝোতা ‘প্রায় কাছাকাছি’।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি জানায়, মূলত গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও পশ্চিম তীরে দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোর জন্য ইসরায়েলের ওপর বৈশ্বিক চাপ দিন দিন বাড়ছে। পশ্চিমা দেশগুলো একের পর এক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। তবে নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোটের উগ্র জাতীয়তাবাদীরা পশ্চিম তীর দখলকে স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখছে।

যুক্তরাজ্য ও জার্মানি ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখলের পরিণতি নিয়ে সতর্ক করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সোমবার নিউইয়র্কে বলেছেন, এমন পদক্ষেপ হবে ‘নৈতিক, আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।’

অন্যদিকে ৮৯ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে জাতিসংঘে ভ্রমণের অনুমতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। তাই বৃহস্পতিবার ভিডিও লিংকের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন তিনি। এসময় তিনি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানান। 

তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিপক্ষে। ওয়াশিংটন মনে করছে, এটি হামাসের জন্য পুরস্কার হবে। 

তবে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট আব্বাস স্পষ্ট করে বলেন, শাসনব্যবস্থায় হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না। ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পর গাজা উপত্যকার পূর্ণ দায়িত্ব ফিলিস্তিন রাষ্ট্র নেবে এবং পশ্চিম তীরের সঙ্গে এটি সংযুক্ত করা হবে।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ