বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত ‘রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার’  দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির অর্থ বোর্ডে পাঠিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলেম প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সন্ধ্যার মধ্যে ৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

গলা-বুক জ্বালা করছে, গ্যাসের সমস্যা ভেবে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অনেক সময় সকালে ঘুম থেকে উঠেই গলা ও বুক জ্বালার অনুভূতি হয়। অথচ আগের রাতে এমন কিছু খাওয়া হয়নি, যা থেকে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা হওয়ার কথা। তখন বিষয়টিকে সাধারণ গ্যাস বা অম্বল ভেবে অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খেয়ে ফেলেন অনেকে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, সব সময় খাবারই এর কারণ নয়—এর পেছনে মানসিক চাপ বা উদ্বেগও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

গ্যাস, অম্বল কিংবা বুকজ্বালার মতো উপসর্গ শুধু খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয় না। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ বা অতিরিক্ত উদ্বেগ শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে। ফলে অ্যাসিডিটি কমানোর ওষুধ খেলেও অনেক ক্ষেত্রে উপকার মেলে না।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এতে বুকজ্বালা, গলা জ্বালা কিংবা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে উদ্বেগের প্রভাবে পেটব্যথা, ডায়ারিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো জটিলতাও দেখা দেয়।

উদ্বেগ বাড়লে শরীরে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ স্পষ্ট হয়। যেমন—পেটের পেশিতে টান ধরা। মানসিক চাপ পেটের পেশির স্বাভাবিক সঙ্কোচন-প্রসারণ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। ফলে পেট ব্যথা, খামচে ধরার অনুভূতি, পেটফাঁপা কিংবা অতিরিক্ত গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়।

এ ছাড়া উদ্বেগের কারণে মলত্যাগের অভ্যাসেও পরিবর্তন আসে। অন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়ে মানসিক চাপের কারণে। কারও ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়, আবার কারও ক্ষেত্রে ডায়ারিয়া হয়। কে কোন সমস্যায় ভুগবেন, তা আগে থেকে বলা কঠিন।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত সেরোটোনিন অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত করে, যার ফলে অনেকের মধ্যে বমি বমি ভাব, গা গোলানো বা অস্বস্তি তৈরি হয়।

খিদে কমে যাওয়া বা হঠাৎ বেড়ে যাওয়াও উদ্বেগের একটি লক্ষণ হতে পারে। মন খারাপ হলে কেউ খাবার এড়িয়ে চলেন, আবার কেউ অতিরিক্ত খেতে শুরু করেন। খিদে নিয়ন্ত্রণকারী গ্রেলিন হরমোনের ভারসাম্য মানসিক চাপের কারণে নষ্ট হয়ে গেলে এমন পরিবর্তন দেখা দেয়।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ