বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৮ রমজান ১৪৪৭


পিলখানা ট্রাজেডির পূর্ণাঙ্গ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জমিয়তের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে রাজধানী ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক ও বেদনাবিধূর অধ্যায়। তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-এর অসংখ্য দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যা দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর গভীর আঘাত হানে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এসব কথা বলেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত সকল শহীদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলতে পারে না। আমরা নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

তারা আরো বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ঘটনার পেছনের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা ও ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে যেসব প্রশ্ন ও বিতর্ক সমাজে বিদ্যমান, সেগুলোর নিরসন এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পুনঃতদন্তের উদ্যোগ গ্রহণেরও আহ্বান জানাচ্ছি।

নেতৃদ্বয় জমিয়তের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি ৪টি দাবি জানান

১. পিলখানা ট্রাজেডির পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

২. প্রকৃত মাস্টারমাইন্ড ও সকল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।

৩. নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারগুলোর যথাযথ সম্মান, নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।

৪. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার গ্রহণ করতে হবে।

তারা জাতীয় স্বার্থে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার স্বার্থে  ঐক্যবদ্ধভাবে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ বিচার দাবি করেন এবং আল্লাহ তাআলা দরবারে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ-কে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতা থেকে হেফাজত কামনা করেন।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ