সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

শিক্ষকদের মে মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস নিয়ে মাউশির নতুন নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন এবং পবিত্র ঈদুল আজহার উৎসব ভাতার বিল সাবমিট করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। 

সোমবার (১১ মে) মাউশির ইএমআইএস সেল থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের আগামী ১৩ মের মধ্যে ইএমআইএস সিস্টেমের ‘MPO-EFT’ মডিউলে লগ-ইন করে এই বিল সাবমিট করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।

মাউশি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্য অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে আলাদা আলাদাভাবে বিল দাখিল করবেন। যদি কোনো শিক্ষক-কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেন বা পদত্যাগ করেন, তবে বিধি মোতাবেক তাদের প্রাপ্য অংশ নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে হবে।

অন্যদিকে, সাময়িক বরখাস্ত, বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বেতন কর্তন বা বন্ধ করার প্রয়োজন থাকলে, বিল সাবমিট অপশনে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।

আর বকেয়া পাওনা রয়েছে কিন্তু চলতি মাসে নিয়মিত বেতন প্রাপ্য নন— এমন শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ‘আংশিক পেমেন্ট’ অপশনটি ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠান প্রধানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ইএফটির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হবে, তাই তথ্যের নির্ভুলতার সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে।

ভুল তথ্যের কারণে কেউ অতিরিক্ত অর্থ নিলে, তা নির্ধারিত কোডে (১০৯০১০১১০১৪৩৫-১৪৪১২০২) ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের মূল কপি প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে। বর্তমানে শুধুমাত্র আইবাস সিস্টেমে যাচাই করা বা ভ্যালিড জনবলের তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে দৃশ্যমান হচ্ছে। যাদের তথ্যে এখনো ভুল রয়েছে, তা সংশোধনের পর পরবর্তীতে বিল সাবমিটের সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ