সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

মসজিদের কক্ষে ইমামের লাশ, পাশে আহত বন্ধু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মসজিদের পাশের কক্ষ থেকে এক ইমামের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই কক্ষ থেকে তার বন্ধু সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চর-ঝাকালিয়া গ্রামের ইছামুদ্দিন সরকার বাড়ির মসজিদ সংলগ্ন একটি ছোট কক্ষ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। 

মৃত ইমামের নাম শামীম মিয়া (২৫)। তিনি ওই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। স্থানীয় মাদরাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ওই মসজিদের ইমাম ছিলেন।

আহত সোহান (২৪) একই গ্রামের মৃত ছইদু মিয়ার ছেলে। তারা দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
 
স্থানীয় একাধিক মুসল্লি জানান, ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ায় মাঝেমধ্যে মসজিদ সংলগ্ন ওই কক্ষে একসঙ্গে রাত যাপন করতেন ইমাম ও সোহান। রবিবার মধ্যরাতে ওই কক্ষ থেকে হট্টগোলের শব্দ শুনে সেখানে যান কয়েকজন মুসল্লি।

এ সময় সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার গলা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। শামীম তাকে আঘাত করেছেন বলেও জানান সোহান। পরে আহত অবস্থায় সোহানকে উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এরপর শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে মসজিদ সংলগ্ন ওই কক্ষে ছেলের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে ভোরে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া বলেন, শামীম এলাকায় কারো সঙ্গে ঝগড়ায় জড়াত না। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে বলে আমার সন্দেহ। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানাচ্ছি।

সোহানের চাচি স্বপ্না বলেন, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে হট্টগোলের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাই। তার গলা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। শামীম তাকে আঘাত করেছেন বলে জানিয়েছিল সোহান। তবে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল বলে আমাদের জানা ছিল না।

জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ‘কি কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশের তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলের আলামত দেখে শামীমের মৃত্যুর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত সোহানের জবানবন্দি পাওয়া গেলে ঘটনা সম্পর্কে আরো তথ্য জানা যাবে।’ 

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ