বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
তায়েফের গভর্নরকে হারামাইনের ধর্মবিষয়ক দপ্তরের সংবর্ধনা জাতীয় যুব কনভেনশনের প্রস্তুতি নিয়ে ইসলামী যুব আন্দোলনের জরুরি সভা ১০ কোটি টাকার সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ, দুদকের অভিযান ডিআইজি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হিন্দু মেয়ের চিকিৎসায় মসজিদে সহায়তার আবেদন, উঠল ৬ কোটি ৩৩ লাখ রুপি বাবরের অর্থায়নে ওমরাহয় গেলেন বিএনপির ৪৭ নেতাকর্মী গণমানুষের কষ্ট লাঘব না হলে রাজপথে নামতে বাধ্য হব: পীর সাহেব চরমোনাই আদানির বিদ্যুৎ প্রকল্পের বলি ১৪০০ মুসলিম পরিবার! প্রথমবারের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘কওমি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা’ সেমিনার  গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩

টাকার অভাবে হাসপাতালের বারান্দায় পড়েছিল মসজিদের খাদেমের মৃতদেহ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দীর্ঘ ৯ মাস ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের রামপুর ইউনিয়নের বায়তুল আমান জামে মসজিদের খাদেম মো. আলী আকবর মোয়াজ্জেম (৬৫) ।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি পরপারে পাড়ি জমান করেন। কিন্তু ঋণ করে চালানো চিকিৎসার খরচ, হাসপাতালের বিল ও অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া মেটাতে না পারায় মরদেহ বাড়িতে আনা সম্ভব হচ্ছিল না। হাসপাতালে পড়ে ছিল মরদেহ।

এ অবস্থায় মরহুমের ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, বাবার চিকিৎসার খরচ চালাতে অধিক ‍ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছি। এখন হাসপাতালের বিল ও অ্যাম্বুলেন্স খরচ মিলিয়ে ১৯ হাজার ৫০০ টাকার অভাবে বাবার মরদেহ বাড়ি নিতে পারছি না।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়তুল আমান জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মুফতি জাকারিয়া রহমান। তিনি জানান মরহুম আলী আকবর মোয়াজ্জেম ছিলেন মসজিদের নিবেদিতপ্রাণ খাদেম। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে। সামান্য টাকার অভাবে তার মরদেহ হাসপাতালের বারান্দায় পড়ে থাকা সত্যিই মর্মান্তিক।

সংবাদটি পাওয়া মাত্রই নোয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি ও সাংবাদিক হামিদ রনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরে সমাজের মানবিক ও বিত্তবান মানুষদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেন। অল্প সময়ের মধ্যে পোস্টটি ব্যপক সাড়া ফেলে।

এরপর ডাক্তার মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. জহিরুল ইসলাম মরহুমের সমস্ত খরচ বহন করার উদ্যোগ নেন। এ ছাড়া, মোহাম্মদ আনসারী নামে আরও এক মানবিক ব্যক্তি সমপরিমাণ অর্থ নিহতের ছেলের বিকাশে পাঠান। দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা পাঠাতে থাকেন।

হাফেজ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মরহুম বাবার মরদেহ বাড়ি আনার যাবতীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছেন। তিনি সমাজের সব মানবিক ব্যক্তির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ