সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ইবনে শাইখুল হাদিসের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের দুই ঘণ্টার বৈঠক জামায়াত কি ক্ষমতায় যেতে চায়? নতুন জরিপে বিএনপির কাছাকাছি জনপ্রিয়তা জামায়াতের! হাদি হত্যা: চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের পর ইরানের পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠছাড়া করতে পরিকল্পিত চেষ্টা চলছে: ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেন সালমান এফ রহমান-আনিসুল হক ‘মুজিব কোট তুলে রেখেছি, এবার ধানের শীষে ভোট দেব’ ৭ জেলার ২৫ মাদ্রাসার হিফজ বিভাগে পিসবের গিজার ও রুম হিটার বিতরণ

ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে অতেচন করে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে অতেচন করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রমোদ চক্রবর্তী (৪৬) নামে এক সমবায় সমিতির পরিচালকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারী ওই সমিতির হিসাবরক্ষক। তিনি প্রমোদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শনিবার দুপুরে অভিযোগটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত প্রমোদ চক্রবর্তী মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার হেলাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভার নামা বাজারের কাশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক। এ ছাড়া নিজেকে একজন চিকিৎসক বলে পরিচয় দিতেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাভার বাজার রোডের অগ্রণী ব্যাংক ভবনের ছয় তলায় কাশবন নামে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি পরিচালিত হয়। সেখানে গত এক বছর ধরে হিসাবরক্ষক হিসাবে কাজ করতেন ভুক্তভোগী। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও তার ওজন কম। এ কথা জেনে প্রমোদ চক্রবর্তী নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীকে মুখে খাওয়ার ভিটামিন দেন। তা ছাড়া তাকে ইনজেকশন নেওয়ার পরামর্শ দেন। প্রমোদের পরামর্শ অনুযায়ী তিন মাস ধরে ভুক্তভোগী এসব ওষুধ সেবন করে আসছিলেন। গত ৪ ডিসেম্বর প্রমোদ তাকে শেষবার ইনজেকশন নিতে বলেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ঘটনার দিন প্রমোদ আমার হাতে ইনজেকশন পুশ করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে বুঝতে পারি প্রমোদ আমাকে ধর্ষণ করেছেন। আমি চিৎকার করলে তিনি পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি কাশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা গীতা অধিকারী সুমিতাকে জানাই।

পরে তারা দুজনে মিলে আমাকে ভয় দেখিয়ে বলেন, বিষয়টি নিয়ে যেন বাড়াবাড়ি না করি। এসব ঘটনার পর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করেছি।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক জুয়েল মিঞা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ