রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

শেষ মুহূর্তে খাইট্টা-হোগলা ও পশুখাদ্যে জমজমাট ঈদ বাজার, দামেও আগুন


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে জমে উঠেছে কোরবানির আনুষঙ্গিক সামগ্রীর বাজার। বিশেষ করে গরু জবাই ও মাংস কাটার কাজে ব্যবহৃত গাছের গুঁড়ি বা ‘খাইট্টা’ এবং হোগলার চাহিদা আকাশছোঁয়া। এর সঙ্গে বেড়েছে পশুখাদ্য, বাঁশের চাটাই, ঝুড়ি, ঝাড়ু এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বিক্রিও।

চাঁদরাত ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবরসহ বিভিন্ন মোড়ের পাশে বসেছে মৌসুমি দোকান। খাইট্টা-হোগলা বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, ঈদের আগের তিন-চার দিনই তাঁদের জন্য সোনার খনি। এই সময়েই হয় মূল বিক্রি।

বাজারে আকার ও কাঠের ধরনভেদে একটি খাইট্টার দাম ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। তেঁতুল কাঠের খাইট্টা সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা। কারওয়ান বাজারের খাইট্টা বিক্রেতা বাবুল মিয়া বলেন, "আমি দেড় শ’ পিস খাইট্টা এনেছি, সবই পুরান ঢাকার স মিল থেকে কাটিয়ে এনেছি। প্রতি পিসে লাভ থাকছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা।"

ভোলা থেকে আসা হোগলা ব্যবসায়ী মো. জাফর জানালেন, “হোগলার চাহিদা এবার ভালো। ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করছি। এর সঙ্গে শুকনা ও কাঁচা ঘাসও রেখেছি। অর্ধেক বিক্রি হয়ে গেছে, বাকিটা আজই বিক্রি হয়ে যাবে আশা করি।”

অনেকেই আগেভাগেই কোরবানির পশু কিনে ফেলেছেন। ফলে পশুখাদ্যের চাহিদাও বেড়েছে। ঢাকায় প্রতি আঁটি শুকনা বা কাঁচা ঘাস বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়, ভুসি প্রতি কেজি ৬০-৮০ টাকা, খইল ১০০ টাকা এবং ধানের তুষ ৩০ টাকায়। এছাড়া কাঁঠালপাতার আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৫০-১০০ টাকায়।

ক্রেতাদের অভিযোগ— "দাম বেশি, কিন্তু কিনতেই হচ্ছে"
কারওয়ান বাজারে হোগলা ও পশুখাদ্য কিনতে আসা তেজতুরীবাজার এলাকার বাসিন্দা পেয়ারে আহমেদ বলেন, "সব কিছুর দাম বেশি। কিন্তু কোরবানির কাজ তো ফেলে রাখা যায় না, তাই কিনতে হচ্ছে।"

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর কোরবানির জন্য দেশে প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ পশু। চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ কোটি ৪ লাখের মতো। এর প্রেক্ষিতে কোরবানিকে ঘিরে বাজারে জোগান ও চাহিদার টানাপড়েন চলছে সব পণ্যেই।

ঈদুল আজহার আগে কোরবানির আনুষঙ্গিক এসব পণ্যের দাম কিছুটা বাড়লেও প্রয়োজনের তাগিদে কিনতেই হচ্ছে। ফলে শেষ মুহূর্তের বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য চোখে পড়ার মতো।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ