সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

একটি ফতোয়া (ইংরেজী শেখা হারাম) নিয়ে অপপ্রচার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| মাওলানা লিয়াকত আলী ||

প্রায় দুই শত বছর ধরে উপমহাদেশে একটি কথা ছড়িয়ে রয়েছে। তা হলো আলেমরা ইংরেজি ভাষা শেখা হারাম মর্মে ফতোয়া দিয়েছেন। কিন্তু ফতোয়াটির উৎস বা সূত্র কেউ উল্লেখ করেন না, অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করেন না। ফতোয়াটি কে দিয়েছিলেন, সেটি কোথায় আছে, তার কোনো পাত্তা নেই। কেউ কথাটি বাতাসে ছেড়ে দিয়েছে। আর জনসাধারণ তা বিশ্বাস করে আলেমদের প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করে রেখেছে। এমনকি বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদদের কেউ কেউ তো অনুসন্ধান বা যাচাই ছাড়াই নির্দিষ্ট করে বলে দিয়েছেন যে, শাহ আবদুল আজিজ মুহাদ্দিছে দেহলবী রহ: ইংরেজি শিক্ষা হারাম বলে ফতোয়া দিয়েছিলেন।

অথচ স্যার সাইয়েদ আহমদ খান আলীগড় কলেজ ও পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়ার সময় নিজের কাজের যৌক্তিকতার পক্ষে উল্লেখ করেছিলেন যে, শাহ আবদুল আজিজ মুহাদ্দিছে দেহলবী রহ: ইংরেজি শিক্ষা করার পক্ষে ফতোয়া দিয়েছিলেন। কিন্তু স্যার সাইয়েদ আহমদ এ ফতোয়ার সূত্র উল্লেখ করেননি। উল্লেখ্য, স্যার সাইয়েদ আহমদ খান ছিলেন দিল্লি কলেজের ছাত্র, যে কলেজের প্রধান শিক্ষক ছিলেন মাওলানা মামলুক আলী। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্যার সাইয়েদ আহমà