সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

বৃষ্টির জন্য নামাজ: কখন পড়বেন, কিভাবে পড়বেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হুসাইন আহমাদ খান।। অতিরিক্ত খরায় বৃষ্টি প্রার্থনা করে যে নামাজ পড়া হয় তাকে ইস্তিস্কার নামাজ বলে। যখন গরমের তীব্রতায় মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে এবং বৃষ্টির দেখা মেলে না তখন এ নামাজ পড়া হয়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ নামাজ আদায় করেছেন। হাদিসে এসেছে আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজের মাঠের দিকে বের হয়ে গেলেন, অতঃপর আল্লাহর কাছে পানি তলব করলেন। তিনি কিবলামুখী হলেন। তাঁর চাদর উল্টিয়ে পরলেন এবং দু রাকাত নামাজ আদায় করলেন। (বুখারী ও মুসলিম)

ইস্তিস্কার নামাজের সময়
যখন জমিন শুকিয়ে যায় অথবা অনাবৃষ্টি শুরু হয় অথবা কূপ ও ঝর্নার পানি কমে যায় অথবা নদী শুকিয়ে যায় তখন সূর্যোদয়ের পর বিশ মিনিটের মতো সময় অতিবাহিত হলে ইস্তিস্কার নামাজ পড়তে হয়।

ইস্তিস্কার নামাজ পড়ার নিয়ম
ইস্তিস্কার নামাজ দুই রাকাত। আযান ইকামত ছাড়া উচ্চ কিরাআতে এ নামাজ আদায় করতে হয়। মুসল্লী প্রথম রাকাতে তাকবীরে তাহরিমার পর সাতবার তাকবীর দেবে। আর দ্বিতীয় রাকাতে পাঁচ বার তাকবীর দেবে। প্রত্যেক তাকবীরের সময় হাত উঠাবে এবং তাকবীরগুলোর মাঝে আল্লাহ তাআলার প্রশংসা এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরূদ পড়বে।

নামাজ শেষে ইমাম খুতবা দিবেন। খুতবায় বেশী বেশী ইস্তেগফার ও কুরআন তিলাওয়াত করবেন। অতঃপর দু’হাত উঠিয়ে মিনতির সঙ্গে দুআ করবেন এবং হাদীসে বর্ণিত দুআগুলো বেশী পড়বেন।

অতঃপর ইমাম কিবলামুখী হয়ে তার চাদর উল্টিয়ে পরবেন, ডান দিকের অংশ বাম দিকে এবং বাম দিকের অংশ ডান দিকে দিবেন, সাথে সাথে চুপে চুপে আল্লাহর কাছে দুআ করতে থাকবেন।

ইস্তিস্কার নামাজে খুশু-খুজু, বিনয়- নম্রতার সাথে গমন করা সুন্নত। সাথে সাথে একমাত্র আল্লাহ তাআলাই যে বান্দার সকল প্রয়োজন পূরণ করেন, এ মনোভাবও অন্তরে জাগ্রত রাখা উচিত। হাদিসে এসেছে, ইবনে আব্বাস রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইস্তিস্কার নামাজের জন্য বের হওয়ার বর্ণনা দিয়ে বলেন,নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনাড়ম্বরভাবে, বিনয়-নম্রতা ও আকুতিসহ বের হয়ে নামাজের মাঠে উপস্থিত হয়েছেন| (আবু দাউদ)

এছাড়াও ইস্তিস্কার খুতবায় হাত উঠিয়ে বেশি বেশি দুআ ও ইস্তিগফার করা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ