সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর স্বাস্থ্যগত পরামর্শ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ডা. আমির হামজা।।

পবিত্র মাহে রমজান মাসে রোজা পালন করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক। পবিত্র কুরআনের সূরা বাকারার ১৮৩ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেন যে পূর্ববর্তী গনের মত করেই মুমিনদের উপর রোজা কে আবশ্যক করা হয়েছে যাতে তারা আল্লাহভীতি অর্জন করতে পারে।

কিন্তু রোজায় ডায়াবেটিস রোগীদের কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হতে পারে তবে অধিকাংশ সময়েই তারা খুব সুস্থভাবেই রোজা রেখে রমজান পার করতে পারে। এক্ষেত্রে একজন ডায়াবেটিস রোগীকে অবশ্যই রমযানের আগে থেকে তার চিকিৎসকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার দরকার। আজকে এখানে আমরা একজন ডায়াবেটিস রোগীর রমজানে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

১) রোযার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা:

রোযা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, রক্তচাপ কমায়, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়, ওজন কমায়, রক্তের খারাপ চর্বি কমায়, লিভার এবং পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ইত্যাদি।

২) ডায়াবেটিস রোগ কি ?:

মানুষের শরীরে প্রতিটি কোষের বেঁচে থাকা এবং কাজ করার জন্য গ্লুকোজ প্রয়োজন। আমরা খাবারের মাধ্যমে যে গ্লুকোজ পাই সেটা রক্ত থেকে এই কোষগুলোতে পৌঁছে দেয়ার জন্য ইনসুলিন দরকার হয়। যদি কখনো এই ইনসুলিন ভালোভাবে কাজ করতে না পারে অথবা শরীরে ইনসুলিনের অভাব থাকে তখন শরীরের কোষগুলো গ্লুকোজের অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অপরদিকে কোষগুলোতে প্রবেশ করতে না পেরে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং এটা রক্ত প্রবাহ বাধা গ্রস্থ করে।

এটাকেই ডায়াবেটিস মেলাইটাস বলে যেটাকে আমরা ডায়াবেটিস বলে জানি। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের ব্রেইন স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, কিডনি বিকল হয়ে যাওয়া, হাতে পায়ে পচন ধরা ইত্যাদির ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ডায়াবেটিস যদি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় তাহলে এইসব ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে আসে। রমজান মাসে একজন ডায়াবেটিস রোগীকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন পড়ে।

৩) রমজান পূর্ববর্তী একজন ডায়াবেটিস রোগীর করণীয় :

একজন ডায়াবেটিস রোগীকে অবশ্যই রমজানের অন্ততপক্ষে তিন মাস পূর্বে থেকে তার চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত এবং রোজার ব্যাপারে পরিকল্পনা করা উচিত। এটাও যদি সম্ভব না হয় তাহলে রোজার এক মাস পূর্বে এবং সেটাও কোনো কারণে না হলে অন্ততপà¦