সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি

মাহে রমজানের জরুরি কিছু আহকাম!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আলহাজ্ব হাফেজ মাওঃ মুহাম্মদ আজিজুল হক।।

আরবিতে রোযাকে ‘সওম’ বলা হয়। সওম এর শাব্দিক অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযার নিয়তে ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার ও সহবাস থেকে বিরত থাকাকে ‘সওম’ বা রোযা বলা হয়। রোযা ইসলামের ৫ রোকনের অন্যতম একটি রোকন। রোযা আল্লাহতায়ালার সান্নিধ্য লাভের অন্যতম মাধ্যম।

আদিকাল থেকেই মানুষের আত্মশুদ্ধির ব্যবস্থা হিসেবে রোযার প্রচলন ছিল। যেমন মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন,‘ইয়া আইয়্যুহাল লাযিনা আমানূ কুতিবা আলাই কুমুস সিয়ামু কামা কুতিবা আলাল লাযিনা মিন ক্বাবলিকুম লাআল্লাকুম তাত্তাক্বূন। অর্থাৎ, হে ঈমানদারগণ! তোমদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর,যাতে তোমরা মুত্তাক্বী হতে পারো’(২ঃ১৮৩)। এতে বুঝা যায় যে,পূর্ববর্তী যুগেও রোযা ফরয ছিল।

রোযার অগিত সাওয়াব রয়েছে। হযরত নবী করীম (সা) বলেন,রোযাদারের নিদ্রা ইবাদতের সমতুল্য, সে সামান্য ইবাদত করলে অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সাওয়াবের অধিকারী হয়। তার দু’আ কবুল হয় এবং গোনাহ মাফ হয় (বায়হাকী)।

হযরত আবু হুরাইরা (রা) বলেন,রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যখন রমযান মাস আসে,তখন বেহেশতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং দোযখের দরজাসমূহ বন্ধ করা হয় আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয় (বুখারী,মুসলিম)। যেহেতু রোযা রাখলে অপরিসীম সাওয়াব লাভ হয়, পক্ষান্তরে রোযা না রাখলে মারাত্মক গোনাহ হয়। তাই মাহে রমযানের রোযা যথাযথভাবে পালন করার জন্য নিম্নে কিছু মাসায়েল আলোচনা করা হলো-রোযার নিয়তঃ- রমযানের রোযার নিয়ত করা ফরয। নিয়ত ব্যতীত সারাদিন পানাহার ও যৌনতৃপ্তি থেকে বিরত থাকলেও রোযা হবে না। তবে অন্তরের সংকল্পই যথেষ্ট মুখে নিয়ত করা জরুরি নয় বরং তা উত্তম বা মুস্তাহাব।

এতটুকু বললেও হবে যে,আমি রোযার নিয়ত করলাম। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন, সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল (মিশকাত)। আরবীতে যে লম্বা নিয়ত প্রশিদ্ধ তা বলা আবশ্যক নয়। সাহরী খাওয়াঃ- শেষ রাতে সাহরী খাওয়া সুন্নাত। বিরাট ফযীলতের আমল,তাই ক্ষুধা না লাগলেও ফযীলত হাসিলের জন্য সামান্য কিছু খাওয়া কর্তব্য। যদিও তা একটা খেজুর বা এক গ্লাস পানি হয়। হযরত আনাস (রা) বলেন,রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,তোমরা সাহরী খাও। কেননা ,সাহরীর ভিতরে বরকত রয়েছে (বুখারী,মুসলিম)। হযরত আমর ইবনে আস (রা) হতে বর্ণিত,মহানবী (সাঃ) বলেন,আমাদের রোযà¦