সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

রমজানের বিশেষ কয়েকটি আমল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: রমজান মাস ইবাদতের মাস। আমলের মাস। রহমত মাগফেরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসেই তাকওয়া অর্জনের মহাসুযোগ লাভ করে মোমিনরা। তাকওয়া অর্জন রমজানের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। রমজানের আমল করলে একটি কাজের জন্য ৭০ বা তার চেয়েও বেশি নেকি পাওয়া যায়। রমজান মাসে বিশেষ অনেকগুলো আমল রয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটি আমলের কথা তুলে ধরছি।

* সিয়াম পালন করা। এটি এ মাসের অন্যতম ইবাদাত। আল্লাহ তায়ালার ফরজ হুকুম। রমজানে রোজা না রাখলে ফরজ হুকুম লঙ্ঘন করা হবে।
* সময়মতো নামাজ আদায় করা। শুধু রমজানেই নয়। সারাবছরই সময়মতো নামাজ আদায় করতে হবে। নামাজ আল্লাহর ফরজ বিধান।

* সহীহভাবে কুরআন শরীফ শেখা ও বেশি বেশি তেলাওয়াত করা। কেননা এ মাস কুরআন নাজিলের মাস। সারাবছর হয়তো বিভিন্ন ব্যস্ততায় সেভাবে গুরুত্বসহ সবার জন্য কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করার সময় হয়ে উঠে না। কিন্তু রমজানে বেশি বেশি তেলাওয়াতের সময় বের করে কুরআন তেলাওয়াত করা।
* অপরকে কোরআন পড়া শেখানো। শুধু নিজেই না। অন্যকেও কুরআন তেলাওয়াত শেখানোর চেষ্টা করা।
* সাহরি খাওয়া। এটি সুন্নাত ইবাদাত।
* তারাবি নামাজ পড়া। ফুকাহায়ে কেরাম বলেছেন, অলসতা সত্ত্বেও যেনো তারাবিতে এক খতম কুরআন শরীফ পড়া থেকে বিরত না থাকে।
* বেশি বেশি শুকরিয়া আদায় করা। আল্লাহ তায়ালার অশেষ নেয়ামাত রমজান লাভ করতে পেরেছি এজন্য সব সময় শুকরিয়া আদায়া করা জরুরি।
* কল্যাণকর কাজ করা। অপরের কাজে সহযোগিতা করা। পরোপকার অনেক বড় ইবাদাত। যারা পরোপকার  করেন তারা মহান মানুষ।
* তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। রমজানের বাইরেও আমরা তাহাজ্জুদ পড়ি। তবে নিয়মিত পড়তে পারি না। রমেজানে নিয়মিত তাহাজ্জুদের অভ্যাস করা।
* বেশি বেশি দান করা। অন্য সময় দান করলে  যে সাওয়াব পাওয়া যায়। রমজানের দানে তার চেয়ে অনেক বেশি সাওয়াব পাওয়া যায়। তাই বেশি বেশি দান করা।
* উত্তম চরিত্র গঠনের অনুশীলন করা।
* ইতিকাফ করা। পারলে পুরো মাস ইতেকাফ করা। না হয় অন্তত রমজানের শেষ দশদিন ইতেকাফ করা।
* দাওয়াতে দ্বীনের কাজ করা।
* সামর্থ্য থাকলে ওমরাহ পালন করা।
* লাইলাতুল কদর তালাশ করা।
* বেশি বেশি দোয়া ও কান্নাকাটি করা।
* সময়মতো ইফতার করা ও অন্যকে ইফতার করানো।
* তওবা ও ইস্তিগফার করা।
* তাকওয়া অর্জন করা।
* জাকাত দেওয়া।
* ফিতরা দেওয়া।
* অপরকে খাবার খাওয়ানো।
* আত্মীয়তার সম্পর্ক উন্নীত করা।
* কোরআন মুখস্থ বা হিফজ করা।
* আল্লাহর জিকির করা।
* মিসওয়াক করা।
রমজানের বিশেষ তিনটি আমল হলো: (১) কম খাওয়া, (২) কম ঘুমানো, (৩) কম কথা বলা।
হারাম থেকে দূরে থাকা; চোখের হেফাজত করা, কানের হেফাজত করা, জবানের হেফাজত করা।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ