সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি

যে কারণে রমজানে কুরআন তিলাওয়াত গুরুত্বপূর্ণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মানুষকে সরল-সঠিক পথের দিশা দিতে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন নাজিল করেছেন। এই গ্রন্থে সবার জন্য রয়েছে হেদায়েত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এটা (কোদরআন) সেই কিতাব, যাতে কোন সন্দেহ নেই। এটা মুত্তাকীদের জন্য পথ প্রদর্শক।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত, ২)।

মানুষের হেদায়েতের বাণী কুরআন নাজিল হয়েছে পবিত্র রমজান মাসে। বর্ণিত হয়েছে, ‘রমজান মাস, যে মাসে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, যা মানুষের জন্য হিদায়াত এবং সুপথপ্রাপ্তির সুস্পষ্ট পথনির্দেশ আর হক-বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী। সুতরাং তোমাদের যে কেউ এ মাস পাবে সে যেন অবশ্যই এর রোজা রাখে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

কুরআন নাজিলের মাসে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা আবশ্যক। আল্লাহর রাসুল সা. এ মাসে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করতেন। তিনি প্রতি রমজানে হজরত জিবরাইল আ.–কে পূর্ণ কুরআন একবার শোনাতেন এবং হজরত জিবরাইল আ.ও নবীজি সা.–কে অবতীর্ণ পূর্ণ কুরআন একবার শোনাতেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ রমজানে দশম হিজরির রমজান মাসে হজরত জিবরাইল আ.–কে পূর্ণ কুরআন মজিদ দুবার শোনান এবং হজরত জিবরাইল আ.–ও মহানবী সা.কে পূর্ণ কুরআন শরিফ দুবার শোনান।

সাহাবায়ে কিরামও রমজান মাসে বেশি বেশি তিলাওয়াত করতেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের অনুসরণে সালফে সালেহিন প্রতি রমজান মাসে কোরআন খতম করতেন। হজরত ইব্রাহিম নাখায়ি রহ. বলেন, আসওয়াদ রমজানের প্রতি দুই রাত্রিতে একবার কুরআন খতম করতেন। (আস- সিয়ার, (৪/৫১)

কাতাদা রহ. সাতদিনে একবার কুরআন খতম করতেন। রমজান মাস এলে প্রতি তিনদিনে একবার কুরআন খতম করতেন। শেষ দশ রাত্রি শুরু হলে প্রতি রাতে একবার কুরআন খতম করতেন। (আস সিয়ার, (৫/২৭৬)

নবীজি, সাহাবি ও পূর্ববর্তী বুজুর্গ আলেমদের আমলের অনুসরণ করতে প্রত্যেক মুমিনের উচিত রমজানের বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা।

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ